, ,

সরকারি নির্দেশনা উপেক্ষা: সন্ধ্যা ৭টার পরও খোলা খুলনার শিববাড়ির দোকানপাট

নিউজটি শেয়ার করুন

​দেশব্যাপী বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী জরুরি সেবা ব্যতীত সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও শপিং মল রাত ৮টার পরিবর্তে সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তবে খুলনার অন্যতম ব্যস্ত এলাকা শিববাড়ি মোড়সহ আশপাশের এলাকায় এই নির্দেশনার কোনো কার্যকর প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না। সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রশাসনের নজরদারি এড়িয়ে অধিকাংশ দোকানপাট ও শপিং মল আগের মতোই স্বাভাবিক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।
​সরেজমিনে চিত্র
​রোববার সন্ধ্যা ৭:৩০ মিনিট থেকে রাত ৮:০০ টা পর্যন্ত শিববাড়ি এলাকা ঘুরে দেখা যায়, বড় বড় আলোকসজ্জা ও বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ব্যবহার করে অধিকাংশ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখা হয়েছে। কিছু অসাধু ব্যবসায়ী চাতুরতার আশ্রয় নিয়ে দোকানের একটি শাটার অর্ধেক নামিয়ে রেখে ভেতরে দিব্যি কেনাবেচা চালিয়ে যাচ্ছেন। বাইরে থেকে বন্ধ মনে হলেও ভেতরে স্বাভাবিকের চেয়েও বেশি ভিড় এবং আলোর অপচয় লক্ষ্য করা গেছে।
​জনমনে প্রশ্ন ও শঙ্কা
​বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের মতো একটি জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ব্যবসায়ীদের এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সচেতন নাগরিক সমাজ। স্থানীয় এক পথচারী বলেন, “সরকার যেখানে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য বারবার অনুরোধ করছে, সেখানে ব্যবসায়ীরা এভাবে আইন অমান্য করলে সংকট আরও তীব্র হবে। প্রশাসনের উচিত নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা।”
​কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন
​এমন পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠেছে—সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি কতটা কার্যকর? স্থানীয়দের মতে, নির্দেশনার শুরুর দিকে কিছুটা কড়াকড়ি থাকলেও বর্তমানে তদারকি নেই বললেই চলে। প্রশাসনের নিরবতার সুযোগেই ব্যবসায়ীরা সরকারি নির্দেশকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখাচ্ছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
​প্রশাসনের পদক্ষেপের অপেক্ষায়
​বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে সরকারি এই সিদ্ধান্ত শুধু কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ থাকবে, নাকি প্রশাসন কঠোর কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করবে—এখন সেটিই দেখার বিষয়। সংকট উত্তরণে দ্রুত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন এলাকার সচেতন মহল।