সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নামাজে জানাজায় দেশের সর্বস্তরের মানুষের পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
জানাজা অনুষ্ঠানে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনুস উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, ভারত ও পাকিস্তানের মন্ত্রী ও প্রতিনিধিরা জানাজায় অংশ নেন। বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতদের উপস্থিতিও ছিল লক্ষণীয়।
খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষের ঢল নামে। মানুষের উপস্থিতিতে মানিক মিয়া এভিনিউ ছাড়িয়ে আশপাশের এলাকাও জনসমুদ্রে পরিণত হয়।
নামাজে জানাজা পরিচালনা করেন জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মাওলানা আব্দুল মালেক। জানাজায় ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রীও উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতিসহ বিচার বিভাগের শীর্ষ ব্যক্তিবর্গ জানাজায় অংশ নেন।
নামাজে জানাজার আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য শেখ নজরুল ইসলাম। তিনি বেগম খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত জীবন, পারিবারিক মূল্যবোধ ও রাজনৈতিক গুণাবলি তুলে ধরেন।
এ সময় পরিবারের পক্ষ থেকে এবং বিএনপির পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, “মরহুমার ব্যক্তিজীবনে কোনো ভুল-ত্রুটি হয়ে থাকলে আপনারা তা ক্ষমা করে দেবেন। কারও সঙ্গে কোনো লেনদেন বা পাওনা থাকলে আমাকে জানাবেন।”
জানাজা শেষে ঢাকার শেরেবাংলা নগরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারের পাশেই বেগম খালেদা জিয়ার মরদেহ দাফন করা হয়।







