, ,

নাগেশ্বরীতে সার ডিলার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ: তৃণমূল বিএনপির আল্টিমেটাম

নিউজটি শেয়ার করুন

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে সার ডিলার নিয়োগে স্বজনপ্রীতি, অনিয়ম এবং আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির সমর্থিত বিতর্কিত ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্তির প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে ‘ত্যাগী তৃণমূল বিএনপি’।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দুপুরে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচি থেকে বিতর্কিত নিয়োগ বাতিলসহ নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে প্রশাসন ও দলীয় হাইকমান্ডকে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেওয়া হয়েছে।
​নির্ধারিত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দাবি মেনে নেওয়া না হলে নাগেশ্বরী পৌরসভাসহ উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে মহাসমাবেশ ও ঢাকা-কুড়িগ্রাম মহাসড়ক অবরোধসহ কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেন ক্ষুব্ধ নেতৃবৃন্দ।
​স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নাগেশ্বরী উপজেলা বিএনপি এবং তার অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো প্রদক্ষিণ শেষে এক প্রতিবাদ সমাবেশে মিলিত হয়।
​সমাবেশে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি নূর নবী দুলাল, শহিদুল ইসলাম মাস্টার, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আজহারুল আলমিন ও মকবুল হোসেন।
​প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা নাগেশ্বরী উপজেলা বিএনপির বর্তমান সভাপতি গোলাম রসুল রাজা ও সদস্যসচিব মোখলেসুর রহমানের বিতর্কিত ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করেন। তাঁদের বিরুদ্ধে সার ডিলার নিয়োগে অর্থবাণিজ্য, স্বজনপ্রীতি এবং বিগত স্বৈরাচারী সরকারের দোসরদের পুনর্বাসনের অভিযোগ এনে দ্রুত ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করা হয়।
​সমাবেশে বক্তারা হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, “বিগত দিনে যারা হামলা, মামলা ও আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে ত্যাগ স্বীকার করেছেন, তাঁদের অবমূল্যায়ন করে সুবিধাবাদীদের সুযোগ দেওয়া কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। এই দুর্নীতির সঙ্গে বিএনপির পদধারী যে নেতাই জড়িত থাকুক না কেন, পদ-পদবি বিবেচনা না করে তাঁদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক সাংগঠনিক ও আইনি পদক্ষেপ নিতে হবে।”
​সমাবেশ শেষে তৃণমূল বিএনপির প্রতিনিধি দল নাগেশ্বরী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) মাধ্যমে স্মারকলিপি ও লিখিত অভিযোগপত্র প্রদান করেন। অভিযোগপত্রে সার ডিলার নিয়োগ প্রক্রিয়া স্থগিত করে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার জোর দাবি জানানো হয়।
​উক্ত প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন যুবদলের আহ্বায়ক নূর জামাল, সদস্য সচিব লেবু, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আব্দুল কাইয়ুম, সাবেক ছাত্রনেতা মাইনুল ইসলাম মাইন এবং পৌর ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি রাশেদসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী।