, ,

কারিগরি শিক্ষা প্রসারে এক দূরদর্শী স্বপ্নদ্রষ্টা আব্দুল মতিন ভূঁইয়া (সিপিএ)

নিউজটি শেয়ার করুন

মানবতার কল্যাণ ও সমাজ সেবাতেও রয়েছে তার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার ইব্রাহিমপুর জাফরপুর গ্রামের আব্দুল মতিন ভুঁইয়া একজন শিক্ষানুরাগী, সমাজসেবক ও দূরদর্শীব্যক্তি। কারিগরি ও প্রযুক্তিগত শিক্ষাকে সাধারণ মানুষের দোড়গড়ায় এবং অত্যন্ত সহজলভ্য করার এক মহৎ লক্ষ্য নিয়ে তিনি আব্দুল হাই ভূঁইয়া পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করেন। তার গতিশীল নেতৃত্ব ও সঠিক নির্দেশনায় প্রতিষ্ঠানটি খুব অল্প সময়ের মধ্যেই একটি দক্ষ মানসম্মত ও সুপরিচিত কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। তার মতে দক্ষ মানবসম্পদ সৃষ্টি ও বেকারত্ব দূরীকরণে কারিগরি শিক্ষার কোন বিকল্প নেই।

শিক্ষা বিস্তারের পাশাপাশি সমাজকল্যাণ, আর্তমানবতার সেবা এবং সামাজিক দায়বদ্ধতার ক্ষেত্রে তিনি এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। তিনি তার নিজস্ব অর্থায়নের মাধ্যমে বছর জুড়ে সমাজের অসহায়, দুস্থ ও পিছিয়ে পড়া মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে নানামুখী মানবিক কার্যক্রম দীর্ঘ সময় ধরে পরিচালনা করে আসছেন।

অসহায় ও দুস্থ পরিবারগুলোর পুষ্টি ও খাদ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তিনি নিয়মিত চাল-ডাল এবং ভোজ্য তেলসহ নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন। অস্বচ্ছল পরিবারগুলোকে অর্থনৈতিকভাবে সাবলম্বী করতে তিনি বিনামূল্যে গবাদিপশু (গরু) বিতরণ করছেন এবং গৃহহীন মানুষের মাথা গোঁজার ঠাঁই হিসেবে টেকসই থাকার ঘর নির্মাণ করে দিচ্ছেন। সুবিধাবঞ্চিত ও শীতার্ত মানুষের মাঝে নিয়মিত বস্ত্র ও কম্বল বিতরণ কার্যক্রম তিনি পরিচালনা করেন। প্রত্যন্ত ও সুবিধাবঞ্চিত এলাকায় বিশুদ্ধ পানির সংকট দূরীকরণে তিনি নিজস্ব অর্থায়নে প্রচুর টিউবওয়েল স্থাপন করেছেন।

পবিত্র রমজান মাসজুড়ে অসহায় রোজাদারদের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ এবং পবিত্র ঈদুল আজহায় দুস্থ ও প্রান্তিক পরিবারগুলোর মাঝে উৎসবের আনন্দ ছড়িয়ে দিতে গরু ও খাসির মাংস বিতরণের এক মহৎ ও ধারাবাহিক কার্যক্রম তিনি পরিচালনা করে থাকেন।সমাজের সবচেয়ে অবহেলিত ও প্রান্তিক মানুষ,  বিশেষ করে বিধবা, পঙ্গু, অসহায়, সুবিধা বঞ্চিত নারী-পুরুষ এবং কর্মক্ষমতাহীন ব্যক্তিদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান ও চিকিৎসা সহ জীবন ধারণের সকল মৌলিক সহায়তা প্রদান করে থাকেন।শুধু সমাজের সাধারণ মানুষই নয়, বরং আব্দুল হাই ভূঁইয়া পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের কোন শিক্ষার্থী যদি আকস্মিক আর্থিক সংকটে পড়ে কিংবা অন্য কোন গুরুতর সমস্যায় ভুগে থাকে, তবে তাকে উপ্রুত সুস্থতা ও প্রাতিষ্ঠানিক তহবিল থেকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান ও চিকিৎসা সহ প্রয়োজনীয় সকল ধরনের সহায়তা করে থাকেন।

একদিকে “মতিন ভুঁইয়া ফাউন্ডেশন” এর মাধ্যমে মানুষের তাৎক্ষণিক দুঃখ দূর করার চেষ্টা করেন, অন্যদিকে “আব্দুল হাই ভূঁইয়া পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট” এর মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মের হাতে স্থায়ী অর্থনৈতিক মুক্তির চাবিকাঠি তুলে দেন।