, ,

সুদূরিকা

নিউজটি শেয়ার করুন

সুদূরিকা
— মো. আ.রহিম খান
রবীঠাকুরের একজন লাবন্য ছিলো,
ভেতরে-বাইরে নজরুলের ছিলো প্রমিলা।
মৌমিতার কথা ভেবে ভেবে,
আমার কেটে যায় বেলা।
শ্রী কৃষ্ণের ছিলোএকজন রাধিকা,
সুকান্তের জীবনে এসেছিলো অনামিকা- উপক্রমণিকা।
শ্রীকান্তের পাণিপ্রার্থী ছিলো রাজলক্ষী,
আমারও যে আছে এক সুখপক্ষী।
সেক্সপিয়ারের একজন জুলিয়েট ছিলো,
দ্যা ভিন্চির পটে আঁকা ছিলো মোনালিসা
জীবনানন্দের ছিলো রুপশ্রী বনলতা।
আমিও যে সহসা চেয়েছি তাকে,
আমারই হ’য়ে সে থাকুক না হয় নন্দলোকে,
যৌবনেরই মিঠারসে পুষ্ট সে ফাগুনের কচিপাতা।
যদি সে না আসে উষার আলোয়,
আসিবে একদিন গোধূলীর খেয়ায়।
কখন জানি সে আসে মানস সরোবরে,
বাতায়ন খুলে রাখি বরিতে তাহারে।
এবার না হয় জানবে লোকে,
কী ব্যথায় জ্বলছি আমি ধুকে ধুকে।
আজও কি সে রয়েছে মোর প্রতীক্ষায়,
অচেনা আড়ালে ঐ সুদূরে?
ভাব রসে উঠবে জ্বলে উজ্জীবিত দ্বীপশিখা,
একদিন আসিবে সে চিত্রলেখা।
সেই যে বড় সত্য অম্লান অক্ষত,
অভিন্ন হৃদয়ের কন্টক শোভা চিরায়ত।