প্রয়াত পরমাণুবিজ্ঞানীর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মারকগ্রন্থ প্রকাশ ও প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন
নিজস্ব প্রতিবেদক: ইসলামিক স্কলার হিসেবে ড. হারুনুর রশিদ এবং সাংবাদিকতায় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ আমিরুল মোমেনীন মানিককে সিআরসি ড. এম শমশের আলী পদক-২০২৬ প্রদান করা হয়েছে।
প্রখ্যাত পরমাণুবিজ্ঞানী, শিক্ষাবিদ ও ইসলামিক স্কলার অধ্যাপক ড. এম শমশের আলীর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে মঙ্গলবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরসি মজুমদার হলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তাঁদের এ পদক দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে তাঁর জীবন ও কর্মের ওপর একটি স্মারকগ্রন্থ প্রকাশ এবং বায়োগ্রাফিক ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। সভাপতিত্ব করেন গ্লোবাল বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশালের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. সিদ্দিকুর রহমান খান, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যান ড. এম সনজুল ইসলাম, বাংলাদেশ বিজ্ঞান একাডেমির প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবদুল মজিদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আমিনুল ইসলাম আলমগীর, অধ্যাপক ড. মো. আবু সায়েম ও অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শাহজাহানসহ বিভিন্ন পর্যায়ের শিক্ষাবিদ, গবেষক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।
অনুষ্ঠানে বক্তারা অধ্যাপক ড. এম শমশের আলীর বিজ্ঞানচর্চা, শিক্ষা, গবেষণা ও জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনে অবদানের কথা স্মরণ করেন। তাঁরা বলেন, বিজ্ঞানমনস্কতা, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধের সমন্বয়ে জ্ঞানচর্চার যে ধারা তিনি গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন, তা নতুন প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়া প্রয়োজন।
অধ্যাপক ড. এম শমশের আলী ছিলেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন পরমাণুবিজ্ঞানী, শিক্ষাবিদ ও ইসলামিক স্কলার। তিনি ইসলামিক স্কলারশিপের পাশাপাশি বিজ্ঞান ও সংস্কৃতির মধ্যে সেতুবন্ধ তৈরির প্রচেষ্টার জন্য পরিচিত ছিলেন। তিনি কালচারাল রিসার্চ সেন্টারের (সিআরসি) প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন।
তাঁর স্মৃতিকে ধারণ এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখা ব্যক্তিদের সম্মানিত করার লক্ষ্যে প্রবর্তিত এ পদক তাঁর চিন্তা, কর্ম ও আদর্শকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন আয়োজকেরা।
অনুষ্ঠানের আয়োজন করে কালচারাল রিসার্চ সেন্টার (সিআরসি) এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সংগঠনগুলো।







