ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণসহ বিভিন্ন দাবিতে ঢাকার সাভারের হেমায়েতপুরের পদ্মার মোড় এলাকায় বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া, ইটপাটকেল ও কাঁদানেগ্যাসের টিয়ারশেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে।
এ সময় পুলিশের একটি গাড়িতে ও দুইটি মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। পাল্টাপাল্টি ধাওয়ায় সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ও সংবাদ সংগ্রহকালে চার জন সাংবাদিকসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আজ বুধবার সকালে হেমায়েতপুরের পদ্মার মোড় এলাকায় বিক্ষোভের একপর্যায়ে হেমায়েতপুর-সিংগাইর সড়ক থেকে বিক্ষোভকারীদের পুলিশ সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলে শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে শ্রমিকেরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করলে পরিস্থিতি সংঘর্ষে রূপ নেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা চালায়। এসময় শ্রমিকেরা পুলিশের একটি গাড়িতে হামলা চালিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়।
এদিকে সংঘর্ষের খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে হামলা ও মারধরের শিকার হয়েছেন বেশ কয়েকজন স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী। হামলার শিকার সাংবাদিকদের মধ্যে রয়েছেন নিউজ টোয়েন্টিফোরের নাজমুল হুদা, একাত্তর টেলিভিশনের রাইয়ান বিন আমিন, স্টার নিউজের সোহান সিরাজী এবং বাংলাদেশ সমাচারের রুবেল হোসেনসহ আরও কয়েকজন।গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর এই হামলার ঘটনায় সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়েও নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।এ ঘটনায় প্রশ্ন উঠেছে, শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি কিংবা আন্দোলনের খবর সংগ্রহ করতে যাওয়া সাংবাদিকদের ওপর কারা হামলা চালিয়েছে? হামলাকারীরা কি সত্যিই আন্দোলনরত পোশাকশ্রমিক, নাকি শ্রমিকদের আন্দোলনের ভিড়ে মিশে থাকা অন্য কেউ?
এছাড়াও ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) শামীমা পারভীন বলেন, সকালে পদ্মার মোড় এলাকায় একসাথে ৩০-৪০ হাজার শ্রমিক দুই পাশ থেকে জড়ো হয়ে পুলিশের উপর আক্রমনাত্বক হয়ে উঠলে পুলিশ প্রতিরোধ করে। এসময় আন্দোলনকারীরা সাভার মডেল থানার ওসির গাড়িতে আগুন জ্বালিয়ে দেয়। এ সময় আন্দোলনকারীদের হামলায় ওসি গুরুতর আহত হন।







