, ,

সমাজসেবা অধিদপ্তর গিলে খাচ্ছে আওয়ামীলীগ নেতা শরীয়তপুর সমাজসেবার  দুর্নীতিবাজ ডিডি আব্দুর রশিদ

নিউজটি শেয়ার করুন

তিন পর্বের ধারাবাহিক প্রথম পর্ব

 

# জ্ঞাত আায় বহির্ভূত প্রায় হাজার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ, বসুন্ধারা আলিশান বাড়ি, বগুড়ার শেরপুরে বাগান বাড়ি,গাড়ি কি নেই তার।

#  বিগত আওয়ামী সরকারের মদদপুষ্ট, দুর্নীতিবাজ ডিডি আব্দুর রশিদের দুর্নীতির প্রমাণ লোপাটে সন্ত্রাসী কায়দায় আক্রমণ।

# অফিস ফাঁকি দিয়ে  দুর্নীতিবাজ ডিডি আব্দুর রশিদ এর  জ্ঞাত  বহির্ভূত আয়ের সম্পত্তি দেখভাল করছেন তার ই আপন ছোট ভাই সমাজ সেবা অধিদপ্তরের আওতাধীন সরকারি শিশু পরিবার বায়া রাজশাহীতে গ্রাজুয়েট টিচার পদে কর্মরত ওবায়দুর রহমান।

# অনুসন্ধানী সাংবাদিকদের উপর মব সৃষ্টি করে সন্ত্রাসী কায়দায় হামলা। দুর্নীতিবাজ ডিডি আব্দুর রশিদ এর আদেশে তার আপন ছোট ভাই ওবায়দুর এর নেতৃত্বে প্রায় শতাধিক সন্ত্রাসী নিয়ে সাংবাদিকদের অনুসন্ধানে বাঁধা।

# নিজের অপরাধ ঢাকতে সাংবাদিক ম্যানেজার করে ভুয়া সংবাদ প্রকাশ।

সমাজসেবা অধিদপ্তরের সাবেক সহকারী পরিচালক (প্রশাসন-২) ও সংযুক্ত কর্মকর্তা আব্দুর রশীদের বিরুদ্ধে নিয়োেগ সিন্ডিকেট পরিচালনা, প্রশ্নপত্র ফাঁস, প্রক্সি পরীক্ষা এবং ক্ষমতার অপব্যবহার করে কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে ।

সরেজমিনে বগুড়া অনুসন্ধানে গেলে পূর্বপরিকল্পিত ভাবে ডিডি আব্দুর রশিদ এর আদেশে তার ভাই সমাজসেবা অধিদপ্তরের কর্মরত ওবায়দুর প্রায় শতাধিক সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে সাংবাদিকদের উপর ঝাপিয়ে পড়ে, গাড়ি ভাংচুর, মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া, মোবাইল ভাংচুর  সহ শারীরিক ও মানষিক ভাবে হেনস্তা করে। তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) গণস্বাক্ষরযুক্ত অভিযোগও দায়ের করা হয়েছিল।

প্রধান অভিযোগসমূহ নিয়োগ বাণিজ্য ও সিন্ডিকেট: অধিদপ্তরে পদায়ন ও নিয়োগের ক্ষেত্রে বড় ধরনের সিন্ডিকেট পরিচালনা এবং ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ।

প্রশ্ন ফাঁস ও জালিয়াতি: বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং প্রক্সি পরীক্ষার মাধ্যমে অসাধু উপায়ে প্রার্থীকে পাস করানোর সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ।

অবৈধ সম্পদ অর্জন: সরকারি আয়ের সঙ্গে সংগতিহীনভাবে ঢাকা ও বগুড়াসহ বিভিন্ন স্থানে ফ্ল্যাট, প্লট, গাড়ি এবং বিপুল পরিমাণ স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে।

প্রশাসনিক শাস্তিমূলক ও বিভাগীয় ব্যবস্থা বদলি ও ওএসডি (OSD) সদৃশ পদায়ন: নিয়োগ সিন্ডিকেট ও ক্ষমতার অপব্যবহারের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর তাকে সমাজসেবা অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়ের প্রশাসন-২ শাখার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। প্রথমে তাকে শরীয়তপুর জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক হিসেবে বদলি করা হয়। পরবর্তীতে তাকে মূল দায়িত্ব থেকে সরিয়ে সংযুক্ত কর্মকর্তা (সংযুক্ত সংযুক্তিতে রাখা) হিসেবে রাখা হয়েছে।

অভ্যন্তরীণ নথিপত্র তদন্ত: তার দায়িত্বে থাকাকালীন সময়ে যেসকল নিয়োগ পরীক্ষা বা দাপ্তরিক কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে, সমাজসেবা অধিদপ্তরের অভ্যন্তরীণ প্রশাসন থেকে সেগুলোর নথিপত্র ও কমিটির ভূমিকা খতিয়ে দেখার প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনি অনুসন্ধান : আব্দুর রশীদের বিরুদ্ধে সরাসরি ফৌজদারি মামলা দায়েরের পূর্বে দুদক আইন অনুযায়ী তার অবৈধ সম্পদের বিষয়ে অনুসন্ধান (Inquiry) শুরু করা হয়েছে: নথিপত্র তলব ও যাচাই: ভুক্তভোগীদের গণস্বাক্ষরিত অভিযোগের ভিত্তিতে দুদক তার এবং তার পরিবারের সদস্যদের জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) ব্যবহার করে অর্জিত সম্পদের তথ্য খতিয়ে দেখছে।

ব্যাংক হিসাব ও এফডিআর অনুসন্ধান: ঢাকা ও বগুড়াসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে কেনা ফ্ল্যাট-প্লট, ব্যক্তিগত গাড়ি এবং ব্যাংকে থাকা কোটি কোটি টাকার এফডিআর (FDR) ও আর্থিক লেনদেনের রেকর্ড পরীক্ষা করতে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক ও সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে তথ্য যাচাইয়ের আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

সম্পদের মূল উৎস:৩ স্তরের নিয়োেগ বাণিজ্য অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০১৭ সালে প্রশাসন-২ শাখায় যোগদানের পর অফিস সহকারী, অফিস সহায়ক, গাড়ি চালক এবং ফিল্ড সুপারভাইজারের মতো পদগুলোর নিয়োেগ কমিটিতে তিনি যুক্ত হন। এই পদগুলোকে কেন্দ্র করে তিনি কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেন।

প্রথম স্তর: মাঠ পর্যায় থেকে দালালদের মাধ্যমে ঘুষের বিনিময়ে চাকরীপ্রার্থী সংগ্রহ করা।

দ্বিতীয় স্তর: প্রশ্নপত্র ফাঁস করে চুক্তি অনুযায়ী প্রার্থীদের পাস করানো।

তৃতীয় স্তর: বিশেষ কোড বা সিগন্যাল ব্যবহার করে এবং বোরকা পরিয়ে প্রক্সি পরীক্ষার্থী বসিয়ে জালিয়াতি করা।

বর্তমানে দুদকের প্রাথমিক অনুসন্ধান সেলে তার এই সব জ্ঞাত আয়বহির্ভূত স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির দালিলিক প্রমাণ, ব্যাংক স্টেটমেন্ট এবং সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের নথিপত্র যাচাইয়ের কাজ চলছে।

চলবে —-