বান্দরবান জেলার লামা উপজেলায় সর্বত্র খোলা আকাশের নিচে ও দোকানঘরে অকটেন, ডিজেল ও পেট্রোল বিক্রি চলছে বিনা অনুমতিতে ও নিরাপত্তাহীনভাবে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার নিবন্ধিত মাত্র ৪–৫টি অনুমোদিত পেট্রোলপাম্প থাকলেও, এর বাইরে অসংখ্য দোকানে অকটেন ও ডিজেল বিক্রি হচ্ছে কোনো ধরনের সরকারি অনুমোদন বা নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছাড়াই।
অকটেন ও অন্যান্য দাহ্য পদার্থ বিক্রির ক্ষেত্রে সাধারণত নিম্নোক্ত দপ্তরগুলোর অনুমোদন প্রয়োজন —
১/ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (UNO) / জেলা প্রশাসক (DC)
২/ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স
৩/ বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (Padma, Meghna, Jamuna Oil ইত্যাদি)
৪/ পরিবেশ অধিদপ্তর
৫/ স্থানীয় সরকার (পৌরসভা / ইউনিয়ন পরিষদ)
৬/ বিস্ফোরক পরিদপ্তর
৭ (ঐচ্ছিক) বাংলাদেশ মান সংস্থা (BSTI)
৮/ ভেজাল ও ওজনে প্রতারণা
সরেজমিনে আরও দেখা গেছে, অনুমতিহীন বিক্রেতারা ওজনে কম দিচ্ছেন এবং ভেজাল তেল বিক্রি করছেন।
এতে সাধারণ ক্রেতারা প্রতিনিয়ত প্রতারিত হচ্ছেন।
এইভাবে ভোক্তা অধিকার লঙ্ঘন হচ্ছে প্রতিদিনই, অথচ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর কার্যকর নজরদারি নেই।
দুর্ঘটনার আশঙ্কা
বাস্তবে দেখা গেছে, এসব আইনগত ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত কাগজপত্র অধিকাংশ বিক্রেতার কাছেই নেই।
কারও কারও অনুমতি মেয়াদোত্তীর্ণ, আবার কেউ কোনো নথিই রাখেননি।
ফলে এসব স্থানে দাহ্য পদার্থ সংরক্ষণ ও বিক্রয়ের কারণে যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ড বা দুর্ঘটনার ঝুঁকি প্রতিনিয়ত বাড়ছে।
সচেতন মহলের দাবি
স্থানীয় সচেতন মহল ও পরিবেশকর্মীরা জানিয়েছেন,
“প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো যদি দ্রুত আইনি ব্যবস্থা ও পরিদর্শন অভিযান চালায় না, তাহলে যেকোনো মুহূর







