, ,

ঠাকুরগাঁও জেলার সদরের কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো চলে ইচ্ছামতো দেখার কেউ নেই

নিউজটি শেয়ার করুন

ফরিদা পারভীন সিমলা:ঠাকুরগা জেলার বেগুনবাড়ি

ইউনিয়নের পাইকপাড়া কমিটি ক্লিনিক দুপুর ১.০০ সময় গিয়ে দেখা যায় তালাবন্ধ অফিস। তারপর ফোন করে FWA মোছাঃ সুলতানা বেগম এর সাথে কথা হলে তিনি বলেন আমি আসতেছি। ১১ নং মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ফেরসাডাঙ্গী কমিউনিটি ক্লিনিক দুপুর ১২.০০ সময় গিয়ে দেখা যায় তালাবন্ধ। ক্লিনিক এর CHCP মোঃ সফিকুল ইসলাম এর সাথে কথা বললে তিনি বিভিন্ন ধরনের টালবাহানা মুলক কথা বার্তা বলেন তিনি কখনো বলেন আমি ছুটি নিয়েছি কখনো বলেন আমি আপনাদের কাছে কোন উত্তর দিতে বাধ্য নই তখন সুপারভাইজার/ইনচার্জ মোঃ আব্দুল রাজ্জাক এর সাথে কথা বললে তিনি বলেন CHCP মোঃ সফিকুল ইসলাম আমাকে একটু আগে জানালো তার ছুটি লাগবে কিন্তু দরখাস্ত আমাকে দেয়নি আমি দরখাস্ত কথা বললে তিনি আমাকে পড়ে দিবে বলে জানান। এর পর ঠাকুরগাঁও জেলা দায়িত্বরত থাকা ডাক্তার মোঃ সোহাগ এর সাথে কথা বললে তিনি বলেন আমাকে ইনচার্জ/সুপারভাইজার মোঃ আব্দুল রাজ্জাক এবং CHCP মোঃ সফিকুল ইসলাম ছুটির বিষয়ে কিছু জানাননি অর্থাৎ কেউ কারো খবর রাখেন না।ভকতগাজী কমিউনিটি ক্লিনিক দুপুর ১.৪৫ মিনিট সময় গিয়ে দেখা যায় অফিসে তালা ঝুলছে। তখন ইনচার্জ মোঃ আব্দুল রাজ্জাক এর সাথে কথা বললে তিনি বলেন আমি এই বিষয়ে কিছু জানিনা তখন তিনি সুপার ভাইজার মোছাঃ নুরেচমন আপার নাম্বার দিলে তার সাথে কথা বললে তিনি বলেন আমি আমার ভকতগাজী কমিউনিটি ক্লিনিক এর CHCP মূন ঈমা বানু চৌধুরী ফোন করে আসতে বলি। এই কমিউনিটি ক্লিনিক এ নরমাল ডেলিভারীর ব্যবস্থা আছে কিন্তু নরমাল ডেলিভারী রুমে বিভিন্ন অবজনা আছে অর্থাৎ নরমাল ডেলিভারী সার্ভিস থাকলেও মনে হয় এক বছর এর মধ্যে এই সেবাটি কেউ পায়নি দেখে মনে হচ্ছে। আসপাশের লোকদের কাছে জিজ্ঞাসা করলে লোকজন এই ব্যাপারে কিছু জানে না অর্থাৎ তারা এই কমিউনিটি ক্লিনিকে যে নরমাল ডেলিভারি সেবা পাওয়া যায় তারা জানে না। এইভাবে ই চলছে ঠাকুরগাঁ জেলার সদরের কমিউনিটি ক্লিনিক এর অবস্থা। যেহেতু কমিউনিটি ক্লিনিক দেখার কোন নির্দিষ্ট লোক থাকা সত্ত্বেও তারা সঠিকভাবে দেখাশোনা এবং মনিটরি হচ্ছে না তাহলে বোঝা যায় সরকার যে কমিটির ক্লিনিক এর জন্য এত বরাদ্দ দিচ্ছে এবং অর্থ ব্যয় করছে তা কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না।তাই সরকারের কমিউনিটি ক্লিনিকের সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও উদ্বোধন কর্মকর্তার হস্তক্ষেপ কামনা করছি। যেন ঠিকমতো কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো চলে সঠিক নিয়মে । যে কারণে কমিউনিটি ক্লিনিকের জন্ম তার যেন সুফল বাংলাদেশের বঞ্চিত অসহায় জনগণ পায়।