২২শে অক্টোবর রোজ বুধবার সকাল ১০:০০ টার সময় কুমিরা কোস্টগার্ড, কুমিরা নৌ পুলিশ ও সীতাকুণ্ড মৎস্য অফিসার মুতাছিম বিল্লাহ এই যৌথ অভিযান পরিচালনা করেন।
এই অভিযানে বড় কুমিরা ঘাটঘর এলাকার আইয়ুব আলীর ঘর থেকে ৮২০ কেজির মতো লবণাক্ত ইলিশ মাছ জব্দ করা হয়। জব্দকৃত লবণাক্ত ইলিশ মাছ গুলো কুমিরা নৌ পুলিশ এস আই ওয়াহেদ, কুমিরা কোস্টগার্ড পেটি অফিসার মোজাম্মেল হক ও সীতাকুন্ড মৎস্য কর্মকর্তা প্রধান মুতাছিম বিল্লাহর অধীনে এলাকার স্থানীয় অনেক গুলো মাদ্রাসা, এতিমখানা, হেফজ খানা, মন্দির সহ আরো স্থানীয় হতদরিদ্র মানুষদের মাঝে বিতরণ করা হয়।
মাছ ব্যবসায়ী আইয়ুব আলী বলেন, আমার ঘর থেকে যে মাছগুলি জব্দ করা হয় মূলত এগুলো সরকার ঘোষিত মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা সময়ের আগের মাছ। এই ব্যাপারে আমাদের এলাকার মৎস্য কর্মকর্তা জহির অবগত ছিল। এবং এই বিষয়টি সে তার অফিসার কে অবগত করবেন এবং আমাকে একটি এই ব্যাপারে ডকুমেন্ট দিবেন বলে সে আমার কাছ থেকে ২০০০০ টাকা দাবি করে। তাতেও আমি একমত ছিলাম তাকে আমি বলেছিলাম আমি আপনাকে এখন নগদ ৫০০০ টাকা দিচ্ছি বাকি ১৫০০০ টাকা ডকুমেন্ট হাতে পেয়ে পরিশোধ করব। তবে টাকা পাওয়ার পর মৎস্য কর্মকর্তা জহির আমার সাথে আর যোগাযোগ করেনি। আজকে আমার প্রায় ১৫০০০০ হাজার টাকার মাছ আমার চোখের সামনে বিলীন হয়ে যাচ্ছে তা আমি দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখছি এর চাইতে কষ্টের বিষয় আর কি হতে পারে।
সীতাকুণ্ড মৎস্য কর্মকর্তার প্রধান মোতাছিম বিল্লাহ বলেন, সরকার ঘোষিত মা ইলিশ রক্ষায় গত ৪ই অক্টোবর থেকে ২৫শে অক্টোবর পর্যন্ত আমার এই অভিযান চালু থাকবে। আমাদের দেশের মানুষ দিন দিন ইলিশ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে কেননা যেই সময় সাগরে মা ইলিশ ডিম পাড়ে ঠিক ওই সময়টাতে ও কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অসাধু জেলেদের টাকার লোভ দেখিয়ে অমানবিকভাবে এই মা ইলিশ গুলো ধরে যাচ্ছে এবং দেশীয় সম্পদ ধ্বংস করে যাচ্ছে। যার কারণে এর সীতাকুন্ডবাসী ইলিশ মাছ থেকে দিন দিন বঞ্চিত হচ্ছে। আর বড় কুমিরার অসাধু মাছ ব্যবসায়ী আইয়ুব আলী যে অভিযোগটা মৎস্য কর্মকর্তা জহিরের বিরুদ্ধে করেছে তার সম্বন্ধে আমি অবগত নই। যদি এই অভিযোগের বিন্দু পরিমাণ প্রমাণ আমার হাতে পায় তাহলে আমি মৎস্য কর্মকর্তা জহিরের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নিব।







