, ,

আমার বিবেক পুলিশ প্রধান

নিউজটি শেয়ার করুন

মো: মনির উদ্দিন, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার: গত ২৭-১০-২০২৬ ইং দৈনিক মাদারীপুর পত্রিকায় (আসাক)। আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রথম জীবনদানকারী পবিত্র নাম পুলিশ বাহিনী। স্বাধীনতার পর এই পুলিশ বাহিনী গঠন, পূর্ণ গঠন বিভিন্ন সরকারের সময় এই বাহিনীর কোনো চেইন অব কমান্ড ছিলো না।  রাজনৈতিক ক্ষমতার চাপ লেজুর বৃত্তি থাকায় গুম, খুন, ক্রসফায়ার চলতেই ছিলো। এরই মধ্যে লুটপাটকারি, চাদাবাজ, দখলদার, মাদক ও বিশেষ করে রাজনৈতিক মিথ্যাচার দাঙ্গা হাঙ্গামার বিচ বপন করা হয়। পর্যায়ক্রমে এর শিকড় বিস্তীর্ণ ভাবে  সমাজের অভ্যন্তরে ছড়িয়ে যায়। যেকোনো সরকার এর নিয়ন্ত্রণ করতে হিমশিম খায়। তাই আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে অপরাধ দমন করতে দায়িত্ব অর্পণ করতে হয় এবং একা এত বড় গভীর সমাজের দায়িত্ব নিয়ে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী শেষ করতে পারে না। তাই দেশের সকল নাগরিকের উপর এর দায়িত্বভার আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে সহোযোগীতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া উচিত। এই রাষ্ট্র সমাজ আইন ধ্বংসকারীদের একমাত্র বিচার হওয়া উচিত যেখানেই অপরাধ সেখানেই স্পট সমাধান। এদের জন্য কোনো থানা পুলিশ, কোর্ট কাচারি থাকা উচিত নয়। এবং ওই পরিবারকে অত্র থানা এলাকা হইতে বিতারিত করে দেওয়া, না হয় এরা পুনরায় এসে দ্বিমাত্রায় অপরাধে জড়িয়ে যায়। তাই আইন তার নিজস্ব গতিতে চলুক আমি আপনি সবাই নিরাপদে থাকবো ইনশাল্লাহ। এখন কথা হচ্ছে আমাদের এই দেশে স্বাধীনতার পরে বিশেষ করে বিগত ২০/২৫ বছর যাবত অপরাধের ধরন পাল্টে  গিয়েছে এবং এরই মধ্যে বিশেষ করে ব্যাঙের ছাতার মত মোবাইল সাংবাদিক, সম্পাদক প্রকাশকরা নতুন একটি ব্যবসা কেন্দ্র খুলে ৫০০/১০০০ ঢাকার মধ্যে প্রেস কার্ড দিয়ে সাংবাদিকদের মান সম্মান ইজ্জতের ক্ষতিগ্রস্ত করিয়াছে এবং করিতেছে। শিক্ষিত হোক আর অশিক্ষিত হোক প্যান্ট পড়লেই হলো। ব্যবসায়ী হোক, দোকানদার হোক প্রেস কার্ড গলায় ঝুলাতে পারলেই হলো মুই কি হনু রে হয়ে যায়। আর যারা সমাজের আইনের সহযোগিতার জন্য দুয়ার খুলেছে তারা তো দাতা হাতেম তাই এর বংশধর। নিজের পকেট থেকে আইনি সহায়তা দেন। তাহারা দুই পক্ষকেই অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে মামলা মোকাদ্দমা জড়িয়ে দেয়। তাহারা হয় সমাজ কল্যান না হয় স্টক এক্সচেঞ্জ থেকে একটি রেজিস্ট্রেশন নাম্বার নিয়ে কয়েকজন মিলে একটি অফিস ৮/৯ হাজার টাকার একটি গদি চেয়ার ও টেবিল, ফাইল নিয়ে বিভিন্ন মিটিং মিছিল সভা -সেমিনার, অমুকের সাথে তমুকের সাথে ছবি টাঙ্গিয়ে নামের ও ছবির ব্যবসা করে। আর ক্লাইন্ট খুঁজতে টোপ ফেলায়, এরা তো দেশের স্বার্থে, জনগণের সার্থে, আইন শৃঙ্খলার স্বার্থে কোনো প্রতিবেদন পত্রিকা বা টিভি চ্যানেলে প্রচার বা সম্প্রচার করেন না। যেমন রাষ্ট্র, সরকার, সেনাবাহিনী, বিডিআর, এস এস এফ বাহিনী, পুলিশ, মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতার পক্ষে বিবৃতি দেন না করেন না। মনে করে আইন শালিস, মানবাধিকার বিচারক এর বিপক্ষে গেলেই আইনের বিরুদ্ধে বড় বড় কথা বললেই আমি বড় সাংবাদিক আইন-সালিশী কর্মকর্তা, মানবাধিকার কর্মকর্তা আমার অমুক তমুক আছে যে কোন ব্যাপার সমাধান ওয়ান টু। আগে জানতে হবে এরা কোন স্থান হইতে এসেছে কি কি করেছিলো, রাষ্ট্র আইন জনগণের জন্য কি কি উদাহরণ রেখেছে এর খোঁজখবর নেওয়া উচিত এবং যারা যারা এই সংগঠন খুলেছে তাদের বছরের ভালো মন্দ কাজের অডিট দরকার। কারণ রাত পোহালেই দেখা যায় শোনা যায় ঝাল, টক, মিষ্টি অমুকের নেতৃত্বে তমুক সংগঠন, ভুঁইফোর সংগঠন।

যাইহোক আমাদের পুলিশ প্রধান একজন দেশ প্রেমিক অত্যন্ত সৎ-কর্মঠ ব্যক্তি, তাই দেশের আমার আপনার সর্বময় জনগণের জন্য  একটি বক্তব্য রেখেছেন। দেশ উন্নয়নের ৩১ দফার ভিত্তিতে দেশ প্রেমে পড়ে উজ্জীবিত হয়ে সুন্দর বলিষ্ঠ বক্তব্য রেখেছেন উনি বা কোনো আইন-শৃঙ্খলার সদস্য নিজের স্বার্থে বলে নাই। আইন তার নিজের গতিতে চলবে এগিয়ে যাক। আমাদের পুলিশ প্রধান কোন খারাপ কথা বলেন নাই, বলেছেন (কঠোর হলে ফ্যাসিস্ট আর নিরব থাকলে দুর্বল)। অপরাধ দমনে সরকার যদি অনুমতি দেয় তাহলে প্রয়োজনে ক্রসফায়ার আর আমার মতে স্পট সমাধান।
এরই মধ্যে আমাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী একটি বক্তব্য রেখেছেন গত ২৮/১০/২০২৬ একটি সেমিনারে- এটা উনার ব্যক্তিগত ব্যাপার এটা সরকারের ভাষ্য নয়। দেখেন কোন অনুষ্ঠান থেকে বাহ কুড়াবার নয়, পুলিশ প্রধান এই স্বাধীন বাংলাদেশের নাগরিক উনি দেশকে ভালোবেসে জনগণের কথা চিন্তা করে এর পক্ষে অপরাধ দমনের সংজ্ঞা উপস্থাপন করেছেন। এইগুলি আমরা সংগঠন গুলো, মন্ত্রী-এমপিরা গুরুতর রাষ্ট্র অবকাঠামো ধ্বংসের জন্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে দিনে বা রাতে অভিযানে থাকি এবং আইনের হাতকে শক্তিশালী করি। চেয়ারে বসে নিজের উপার্জনের কলকাঠি না করে আইনের বিরুদ্ধে কোনো অপরাধকে উৎসাহিত না করে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ ও প্রচার এর পক্ষে থাকি। প্রথমে আমি আপনি যে এলাকায় বসবাস করি সেই এলাকার অপরাধের শিকড় উপ্রে ফেলি। আপনি আপনার পরিচয় পত্রিকার মত তুলে ধরুন এবং দৃষ্টান্ত স্থাপন করুন। কারণ আমাদের নিজেদের স্বার্থে সংবিধানের ৩১ ও ৩২ ধারা অনুচ্ছেদে লিপিবদ্ধ করা আছে। এইরকম পুলিশের নিজস্ব একটি স্বতন্ত্র আলাদা মন্ত্রণালয় গঠন করা হোক এই অঙ্গীকার করি।

অসাম্প্রদায়িক, শোষণহীন ও সাম্যবাদী সমাজ প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে অবিচল থাকার প্রত্যয় উদীচীর হাফিজুর রহমান/মিনহাজ উদ্দিন সেলিম: উদীচীর ৫৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দ্বিতীয় দিনের আলোচনা ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠিত