জাতীয় ঐক্য, সংহতি ও দেশপ্রেমের চেতনায় দিবসটি উদযাপন
যথাযোগ্য মর্যাদা ও নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটে (বারি) ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস-২০২৬ পালিত হয়েছে।
১৯৭৫ সালের এই দিনে সিপাহি-জনতার সম্মিলিত বিপ্লব জাতীয় স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে সব ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে দেশপ্রেমের এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে। তৎকালীন মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানকে বন্দিদশা থেকে মুক্ত করে সিপাহি-জনতা তাঁকে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত করে। পরবর্তী সময়ে তিনি দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রবর্তন, উন্নয়ন ও উৎপাদনের নতুন ধারার সূচনা করেন।
শনিবার সকালে বারির মহাপরিচালক ড. মো. মঞ্জুরুল কাদির জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে দিবসের কর্মসূচির সূচনা করেন।
এ সময় দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় মহাপরিচালক বলেন, ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে আমি সিপাহি-জনতার ঐতিহাসিক বিপ্লবের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাচ্ছি। জাতীয় স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষায় এ দিবস আমাদের জাতীয় ঐক্য ও সংহতির চেতনাকে আজও অনুপ্রাণিত করে। আসুন, কৃষি গবেষণার মাধ্যমে দেশের খাদ্যনিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি অর্জনে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করি।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বারির পরিচালক (প্রশিক্ষণ ও যোগাযোগ) ড. রেশমা সুলতানা, পরিচালক (কন্দাল ফসল গবেষণা কেন্দ্র) ড. নির্মল কুমার দত্ত, পরিচালক (পরিকল্পনা ও মূল্যায়ন) ড. হাবিব মোহাম্মদ নাসির, পরিচালক (সেবা ও সরবরাহ) ড. মো. মোশাররফ হোসেন মোল্লা, পরিচালক (ডাল গবেষণা কেন্দ্র) ড. মো. আব্দুল মান্নান এবং পরিচালক ড. মোহা. মনিরুজ্জামানসহ বিভিন্ন পর্যায়ের বিজ্ঞানী, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শ্রমিকরা।
পরে জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও অগ্রগতি কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়। মহাপরিচালকের নেতৃত্বে বারির প্রধান কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
এ ছাড়া জোহরের নামাজের পর বারির কেন্দ্রীয় মসজিদে জাতির শান্তি ও অগ্রগতি কামনায় বিশেষ মোনাজাত এবং সন্ধ্যায় মন্দির ও গির্জায় বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হয়।






