মানবসভ্যতার ইতিহাসে আলো কেবল অন্ধকার দূর করার উপকরণ নয়; আলো সত্য, জ্ঞান, বিবেক, শুভবোধ ও মানবিকতার প্রতীক।
আর অন্ধকার মানে শুধু রাতের আঁধার নয়, অন্ধকার হলো অজ্ঞানতা, হিংসা, বিদ্বেষ, কুসংস্কার, অন্যায় ও অসত্যের প্রতিচ্ছবি। সেই অন্ধকারকে জয় করে সত্য ও সুন্দরের পথে এগিয়ে যাওয়ার চিরন্তন আহ্বান নিয়ে প্রতিবছর ফিরে আসে দীপাবলি। একই সঙ্গে শ্যামাপূজার আরাধনায় ভক্তরা প্রার্থনা করেন শক্তি, সাহস, কল্যাণ ও অশুভ শক্তির বিনাশ।
দীপাবলি হিন্দুধর্মের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক উৎসব। ‘দীপাবলি’ শব্দটি এসেছে দুটি সংস্কৃত শব্দ থেকে—দীপ অর্থ প্রদীপ এবং আবলি অর্থ সারি। অর্থাৎ প্রদীপের সারি। এই উৎসবের মূল তাৎপর্য হলো অন্ধকারের ওপর আলোর, অসত্যের ওপর সত্যের এবং অশুভের ওপর শুভশক্তির বিজয়। ভারতীয় উপমহাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিভিন্ন ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে দীপাবলি উদ্যাপিত হলেও এর অন্তর্নিহিত দর্শন এক—মানুষের জীবন থেকে অন্ধকার দূর করে আলোর পথে যাত্রা।
( মানিক লাল ঘোষ : সাংবাদিক ও কলামিস্ট। ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সহ সভাপতি ও বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক)






