, ,

‎গাজীপুরে কার্তিক হত্যা মামলার দুই আসামি ময়মনসিংহ থেকে গ্রেপ্তার

নিউজটি শেয়ার করুন

তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় হালুয়াঘাটে পুলিশের অভিযান, হত্যায় ব্যবহৃত আলামত উদ্ধারে তৎপরতা
‎
গাজীপুর মহানগরীর গাছা থানাধীন কুনিয়া পাছর চৌধুরী মার্কেট এলাকায় কার্তিক (৩৫) নামে এক ব্যক্তিকে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলার দুই আসামিকে ময়মনসিংহ থেকে গ্রেপ্তার করেছে গাছা থানা পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে ময়মনসিংহ জেলার হালুয়াঘাট থানাধীন মাশাইল বাজার এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
‎
‎রোববার (১ নভেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে গাছা থানা পুলিশের একটি চৌকস আভিযানিক দল এ অভিযান পরিচালনা করে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন মো. শিমুল মিয়া (২৫) এবং মো. জহিরুল ইসলাম ওরফে ফালান (৪৯)।
‎
‎পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তারকৃত শিমুল মিয়ার পিতার নাম মৃত ফারুক এবং মাতার নাম মোকসেদা বেগম। তার স্থায়ী ঠিকানা গাজীপুর মহানগরীর পূবাইল থানাধীন খুরাইদ এলাকায়। অপর আসামি জহিরুল ইসলাম ওরফে ফালানের পিতার নাম মৃত জবেদ আলী এবং মাতার নাম মৃত রুপবান বেগম। তার বাড়িও একই এলাকার বাসিন্দা। তারা গাছা থানাধীন কুনিয়া পাছর চৌধুরী মার্কেট এলাকায় বসবাস করতেন। শিমুল সেখানে ভাসমান অবস্থায় থাকতেন এবং জহিরুল ইসলাম আইনজীবী মামুনের বাড়ির ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন বলে পুলিশি তথ্যে উল্লেখ রয়েছে।
‎
‎মামলার বিবরণে জানা যায়, নিহত কার্তিক (৩৫) গাজীপুর মহানগরীর গাছা থানাধীন ৩৭ নম্বর ওয়ার্ডের কুনিয়া পাছর চৌধুরী মার্কেট এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। তার পিতার নাম সুশীল চন্দ্র শীল এবং মাতার নাম আলো রানী। তার হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গত ২৮ অক্টোবর গাছা থানায় মামলা নম্বর-৪২ দায়ের করা হয়। মামলাটি দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় রুজু করা হয়েছে।
‎
‎হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে কাজ শুরু করে গাছা থানা পুলিশ। এরই ধারাবাহিকতায় তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসামিদের অবস্থান শনাক্ত করে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে অভিযান চালানো হয়। পরে মাশাইল বাজার এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশের আভিযানিক দল।
‎
‎গাছা থানা পুলিশের এসআই মো. সাইফুল আলম ও এসআই মো. সাখাওয়াত হোসেনের নেতৃত্বে এএসআই মো. ইব্রাহিম মিয়াসহ সঙ্গীয় ফোর্স অভিযানে অংশ নেন।
‎
‎পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত দুই আসামিকে নিয়ে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত আলামত উদ্ধারের কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত অন্য পলাতক আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
‎
‎জিএমপি গাছা থানা অফিসার ইনচার্জ ওসি বলেন এ ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ ও তদন্তের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ, ঘটনার পেছনের রহস্য এবং অন্য কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা উদ্ঘাটন করে মামলার সাথে জড়িত সকলকে আইনের আওতায় আনা হবে।