সিসিফাসের চক্রোবাকে আমি পাথরের চাকায় গুড় খাচ্ছি উঠি – নেমে পড়ি গহবরে
মুদ্রার এপিট ওপিট দোল খায় নিয়তির চারচক্রে অভিলাষীমন
ছবি আঁকে বৈশ্বিক প্রবণতায়
অথচ আমি বাল্মিকীর আর্যবন্দনার চৈতন্যের মনিষী।
ঘরও দেয়ালে আটকে রেখে কি যে হারাচ্ছো মাতৃভূমি
আমাকে মুক্ত করেদেও ন্যাড়া হয়ে বেলতলায় থেকে যাই
বার বার
অসুর থেকে দূরে, কোন মাটির সুরে।
গৃহত্যাগীরাই শুধু জোছনাআলোয় পূর্নিমায় সাঁতরায়।
একজীবনের গল্পের সময় আর কত বড় হয়?
অন্তভূক্তহীন রয়ে গেলাম
লাল,কালো গোলাপিদের যাত্রায়
চাকচিক্যময় সামগ্রীতে ঠাঁসা ঘর শূন্য মরুভূমিরপ্রখরতায় হৃদহীন শশ্বান তবুও শরৎ জাগে আপন ভুবন।
অমৃত দাঁড়িয়ে আছি পদ্যের পাতার শিহরণ নষ্টালজিক বাতায়ন চ্যুর্ণ করে ধরো ক্লান্ত পথিকের হাত।
তৃষ্ণায় পোড়ানো মরমি’র মর্ম’র দেখে পিকাসোর ছবি
কিম্বা কালভেরির ত্রিশবিদ্ধ
মহানায়ক সর্বশেষ মৃত্যু নির্বাসনের নিদারুন যন্ত্রণার ইতিহাস।
মানুষ দুধ মা হীন থাকে না।
চাদরের আড়ালে সূর্য উঁকিমারে মায়েদের কোমলতায়।
পাহাড় ভেঙে পাথর, পাথর চ্যুর্ণ হয়ে চোখে পড়ে
তখনই আয়নার মুখোমুখি মানুষ, মুখোশ
ওডিপাসের ঘুমঘুম চোখে বাড়িফেরা যুদ্ধ জয়ের স্বাদ।
দুদণ্ডঘুম নিয়ে যায় সকল ফসিল ফেলে
অবিশ্বাস্য ক্লান্তিতে হঠাৎ মনে হয় এখনো অন্তর্ভুক্ত হইনি।
হয়রানি হয়েছি প্রতারণার চক্রবাক।
তাহলে অনাগত চারপাশ
যারা নিভৃত শুধু আমার মুখদেখে আলো -অন্ধকার?
কোন গাড়িটায় চড়বে পথিকৃৎ
যোগাযোগ পথপৃথিবী কোন টা-ই নিজের নয় তবুও নয়,ছয় রাস্তা কেউই কি নেই মানুষ?







