একটি দেশের ভবিষ্যৎ কখনো লেখা হয় গণমানুষের স্লোগানে, কখনো কৃষকের ফসলের মাঠে, কখনো তারুণ্যের চোখে লালিত স্বপ্নে, আবার কখনো বিশ্বমঞ্চে জাতীয় স্বার্থের পক্ষে উচ্চারিত কণ্ঠে। নেতৃত্বের প্রকৃত পরীক্ষা তাই ক্ষমতার কেন্দ্র থেকে রাষ্ট্রকে দেখা নয়, বরং মানুষের জীবন, প্রত্যাশা ও সংকটের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রকে বোঝা। বাংলাদেশের রাজনীতিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের তেমনই এক পথ ধরেই হাঁটছেন যেখানে তিনি কেবল দায়িত্বে নয়, সরাসরি মাটি ও মানুষের নেতা হয়ে উঠছেন। দীর্ঘ ১৭ বছর নির্বাসন শেষে দেশে ফিরে কোট জনতার আবেগে সিক্ত তারেক রহমান কেবলমাত্র বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নয়, হয়ে উঠেছেন অপামর মানুষের ভরসার শেষ আশ্রয়স্থল।
দেশ ও সাধারণ মানুষের ম্যান্ডেটে জয়ী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে পরিবার কার্ড ও কৃষক কার্ড কর্মসূচি, খাল খনন, সামাজিক সুরক্ষা সম্প্রসারণ এবং কৃষি অবকাঠামো উন্নয়নের উদ্যোগ নিয়েছেন। ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট, ২০৩৪ সালের মধ্যে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্য এবং তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য ৫০০ কোটি টাকার স্টার্টআপ তহবিলের পরিকল্পনার মধ্য দিয়ে অর্থনৈতিক পুনর্গঠন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।
এসব কর্মসূচির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম যুক্ত হয়ে সরকার পরিচালনায় একটি জনমুখী অভিমুখ তুলে ধরছে। রাষ্ট্রীয় উন্নয়নকে মানুষের দৈনন্দিন প্রয়োজনের সঙ্গে যুক্ত করা, কৃষকের উৎপাদন ও জীবিকা সুরক্ষিত করা এবং তরুণদের উদ্ভাবনী শক্তিকে কাজে লাগানোর যে উদ্যোগগুলো নেওয়া হচ্ছে, সেগুলোর বাস্তবায়নই এখন গুরুত্বপূর্ণ।
রাজনীতির কেন্দ্র থেকে রাষ্ট্রকে পরিচালনা করা আর মানুষের জীবন থেকে রাষ্ট্রের প্রয়োজন বুঝতে পারা এক বিষয় নয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক কার্যক্রমে এই দুইয়ের সমন্বয়ের চেষ্টা লক্ষ করা যায়। সরকারি প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ, গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন, সামাজিক সহায়তা কর্মসূচি সম্প্রসারণ এবং আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা তুলে ধরার মধ্যে রাষ্ট্র পরিচালনার বিভিন্ন স্তরকে যুক্ত করার উদ্যোগ রয়েছে।
আন্তর্জাতিক পরিসরে তারেক রহমানের কার্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় ছিল জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ অধিবেশনে অংশগ্রহণ। ২১ থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্ক সফরে তিনি জাতিসংঘের সাধারণ বিতর্কে বক্তব্য দেন, উচ্চপর্যায়ের বিভিন্ন বৈঠকে অংশ নেন এবং ১১টি দেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় আলোচনায় যুক্ত হন। বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, জ্বালানি নিরাপত্তা, প্রবাসী কর্মীদের অধিকার, জলবায়ু পরিবর্তন এবং রোহিঙ্গা সংকট ছিল বাংলাদেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
জাতিসংঘে দেওয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের পুনর্গঠনের জন্য ‘থ্রি-আর’ কৌশল—রিকভারি, রেস্টোরেশন ও রিকনস্ট্রাকশন, অর্থাৎ পুনরুদ্ধার, পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও পুনর্গঠনের ধারণা তুলে ধরেন। অর্থনীতির সক্ষমতা পুনরুদ্ধার, গণতান্ত্রিক ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো শক্তিশালী করা এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়নের ভিত্তি নির্মাণকে তিনি একই কর্মপরিকল্পনার অংশ হিসেবে উপস্থাপন করেন। কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর, উৎপাদনশীল শিল্পের বিকাশ এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ও তাঁর বক্তব্যে স্থান পায়।
এই কূটনৈতিক তৎপরতার বাস্তব মূল্যায়ন হবে আলোচনাগুলো থেকে বাংলাদেশ কী ধরনের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সুবিধা অর্জন করতে পারে, তার ভিত্তিতে। রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণ, বিদেশি বিনিয়োগ, দক্ষ কর্মীদের জন্য আন্তর্জাতিক শ্রমবাজার এবং জলবায়ু অর্থায়নে সহযোগিতা দেশের অর্থনীতিতে সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে। একই সঙ্গে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসন এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের অবস্থান জোরালো করতে ধারাবাহিক কূটনৈতিক উদ্যোগ প্রয়োজন।
অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে অর্থনৈতিক পুনর্গঠনের আলোচনায় সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো, প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনাকে কীভাবে তিনি সাধারণ মানুষের আয় ও কর্মসংস্থানের সঙ্গে যুক্ত করবেন। ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশের অর্থনীতির আকার এক ট্রিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্য ঘোষণা করে তিনি রপ্তানি বৃদ্ধি, বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং আর্থিক শৃঙ্খলার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। ৩ সেপ্টেম্বর পূর্বাঞ্চলীয় শোধনাগার আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণে ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংকের প্রায় ১০০ কোটি ডলার অর্থায়নসংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরের অনুষ্ঠানেও তিনি এই লক্ষ্য তুলে ধরেন।
অর্থনীতির আকার বাড়ানোর লক্ষ্য বাস্তবায়নে উৎপাদনশীল খাতের সম্প্রসারণ, ব্যাংকিং ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা, বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ এবং দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা অপরিহার্য। তৈরি পোশাকশিল্পের পাশাপাশি ওষুধ, কৃষিপ্রক্রিয়াজাত পণ্য, হালকা প্রকৌশল ও তথ্যপ্রযুক্তির মতো খাতে রপ্তানি বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের অর্থায়ন সহজ করা এবং নতুন শিল্প স্থাপনে নীতিগত স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা গেলে কর্মসংস্থান সৃষ্টির ভিত্তিও বিস্তৃত হতে পারে।
যে লক্ষ্য বাস্তবায়নে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেটের ঘোষিত অগ্রাধিকারেও বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান, সামাজিক সুরক্ষা এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার বিষয়গুলো রয়েছে। বাজেটে প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ধরা হয়েছে ৬ দশমিক ৫ শতাংশ এবং মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য ৭ দশমিক ৫ শতাংশ। লক্ষ্যগুলো অর্জনের ক্ষেত্রে রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি, সরকারি ব্যয়ের কার্যকারিতা এবং মূল্যস্ফীতির চাপ থেকে সাধারণ মানুষকে স্বস্তি দেওয়ার বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।
তারেক রহমানের নেতৃত্বের আলোচনায় তরুণদের বিষয়টি আলাদা গুরুত্ব পাওয়ার কারণ বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ উৎপাদনশীলতা অনেকাংশে নির্ভর করবে এই জনগোষ্ঠীর দক্ষতা ও উদ্ভাবনী সক্ষমতার ওপর। ১৭ অক্টোবর যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে ‘ইয়ুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড ২০২৬ ও অনুদান বিতরণ’ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তরুণদের দেশ গঠনে নেতৃত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে ১৫ জন তরুণ স্বেচ্ছাসেবক ও সংগঠনের প্রতিনিধিকে পুরস্কৃত করা হয়। একই সঙ্গে দেশের ৪৩২টি যুব সংগঠনকে কার্যক্রম সম্প্রসারণের জন্য দুই লাখ টাকা করে অনুদান দেওয়া হয়। তরুণ উদ্যোক্তাদের সহায়তায় ৫০০ কোটি টাকার স্টার্টআপ তহবিল গঠনের পরিকল্পনার কথাও তিনি জানান।
তরুণদের জন্য এ ধরনের উদ্যোগের গুরুত্ব বহুমাত্রিক। একদিকে স্বেচ্ছাসেবামূলক কর্মকাণ্ড সামাজিক দায়িত্ববোধ ও নাগরিক অংশগ্রহণকে শক্তিশালী করতে পারে; অন্যদিকে স্টার্টআপ তহবিল উদ্ভাবনী ধারণাকে ব্যবসায়িক উদ্যোগে পরিণত করার সুযোগ তৈরি করতে পারে। তবে কর্মসূচির প্রকৃত সুফল নিশ্চিত করতে স্বচ্ছভাবে উপকারভোগী নির্বাচন, অর্থায়নের সহজলভ্যতা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য দীর্ঘমেয়াদি পরামর্শ ও সহায়তার ব্যবস্থা প্রয়োজন। তরুণদের শুধু দেশ গঠনের আহ্বান জানানো নয়, তাঁদের সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও নীতি প্রণয়নের ক্ষেত্রেও অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।
সরকার পরিচালনায় মানুষের কাছে পৌঁছানোর আরেকটি দিক দেখা গেছে ১৭ অক্টোবরের আকস্মিক পরিদর্শন কর্মসূচিতে। সেদিন প্রায় সাড়ে চার ঘণ্টায় রাজধানীর ১৩টি হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, আবাসিক এলাকা ও জনপরিসর পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী। কুয়েত-বাংলাদেশ মৈত্রী সরকারি হাসপাতালে পরিচ্ছন্নতা ও ব্যবস্থাপনার উন্নয়নে সাত দিনের সময়সীমা নির্ধারণ করেন। রোগীদের সঙ্গে কথা বলে চিকিৎসাসেবার অভিজ্ঞতা জানার পাশাপাশি বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিবেশও পর্যবেক্ষণ করেন তিনি।
এই পরিদর্শনের তাৎপর্য হলো, সরকারি প্রতিষ্ঠানের সেবার মানকে প্রশাসনিক আলোচনার বাইরে এনে নাগরিকের বাস্তব অভিজ্ঞতার সঙ্গে যুক্ত করা। একজন রোগীর কাছে হাসপাতালের মূল্যায়ন নির্ভর করে চিকিৎসক পাওয়া, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ, প্রয়োজনীয় পরীক্ষা এবং সামর্থ্যের মধ্যে চিকিৎসা পাওয়ার ওপর। একইভাবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মান নির্ভর করে পাঠদান, নিরাপত্তা ও সুযোগ-সুবিধার ওপর। প্রধানমন্ত্রীর সরেজমিন পর্যবেক্ষণ এসব বিষয়ে প্রশাসনিক তৎপরতা বাড়াতে পারে। তবে স্থায়ী উন্নয়নের জন্য নিয়মিত তদারকি, প্রয়োজনীয় জনবল ও অর্থায়ন এবং কর্মকর্তাদের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। আকস্মিক পরিদর্শনে চিহ্নিত সমস্যাগুলোর পরবর্তী অগ্রগতি প্রকাশ করাও প্রশাসনিক স্বচ্ছতা বাড়াতে পারে।
তারেক রহমানের রাজনৈতিক উত্তরাধিকারের প্রশ্নটিও এই রাষ্ট্র পুনর্গঠনের আলোচনার সঙ্গে যুক্ত। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রতিষ্ঠিত বিএনপি এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা তাঁর রাজনৈতিক পরিচয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। জাতিসংঘের একই মঞ্চে তাঁর বাবা ও মায়ের বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করার ইতিহাসও তাঁর বক্তব্যে উঠে এসেছে। কিন্তু রাজনৈতিক উত্তরাধিকারকে ভবিষ্যৎমুখী শক্তিতে রূপান্তরিত করার জন্য প্রয়োজন এমন রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা, যেখানে নাগরিক অধিকার, আইনের শাসন, স্বাধীন গণমাধ্যম এবং প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহি কার্যকর থাকবে।
জুলাই-আগস্ট ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশের রাজনীতিতে নাগরিক অংশগ্রহণ ও জবাবদিহির প্রত্যাশাকে নতুন করে সামনে এনেছে। তারেক রহমান জাতিসংঘের ভাষণে সেই আন্দোলনে শহীদ ও আহতদের স্মরণ করেন। নতুন প্রজন্মের প্রত্যাশা পূরণে এই স্মৃতিকে শুধু রাজনৈতিক বক্তব্যে সীমাবদ্ধ না রেখে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, ন্যায়বিচার, কর্মসংস্থান এবং বৈষম্যহীন সুযোগের বাস্তব পরিবেশ তৈরি করা জরুরি। গণতান্ত্রিক উত্তরাধিকারের স্থায়িত্ব নির্ভর করে প্রতিষ্ঠানগুলো কতটা কার্যকরভাবে নাগরিকের অধিকার রক্ষা করে, তার ওপর।
সব মিলিয়ে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক কার্যক্রমে অর্থনৈতিক পুনর্গঠন, কৃষি ও গ্রামীণ উন্নয়ন, সামাজিক নিরাপত্তা, তরুণদের অংশগ্রহণ এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকার স্পষ্ট হয়েছে। এগুলোর মধ্য দিয়ে গণমানুষের প্রত্যাশাকে সরকারি কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত করার চেষ্টা দৃশ্যমান। এখন এসব উদ্যোগের বাস্তবায়ন, প্রাতিষ্ঠানিক ধারাবাহিকতা এবং মানুষের জীবনে অর্জিত সুফলই নির্ধারণ করবে এগুলো কতটা কার্যকর পরিবর্তন আনতে পারছে।
একটি দেশের পুনর্গঠন একক কোনো নেতৃত্বের কাজ নয়; এর জন্য প্রয়োজন দক্ষ প্রশাসন, দায়িত্বশীল রাজনৈতিক সংস্কৃতি, উৎপাদনশীল ব্যবসায়ী সমাজ, সক্রিয় নাগরিক এবং উদ্ভাবনী তরুণ প্রজন্মের সম্মিলিত অংশগ্রহণ। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বের তাৎপর্য নির্ধারিত হবে রাজনৈতিক উত্তরাধিকারকে কতটা আধুনিক রাষ্ট্র পরিচালনায় রূপ দেওয়া যায়, ঘোষিত কর্মসূচি কতটা মানুষের কাছে পৌঁছায় এবং অর্থনৈতিক অগ্রগতির সুফল কতটা বিস্তৃতভাবে বণ্টিত হয়, তার মধ্য দিয়ে। গণমানুষের প্রত্যাশা, কৃষকের মাঠ, তারুণ্যের স্বপ্ন এবং বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের স্বার্থ—এই চারটি ক্ষেত্রকে একই রাষ্ট্রীয় অভিযাত্রায় যুক্ত করতে পারলে আধুনিকতা ও মানবিকতার প্রত্যাশা আরও সুস্পষ্ট বাস্তব রূপ পাবে।
রাজু আলীম
কবি, সাংবাদিক, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব






