একজন ইসারুল ইসলামের গল্প, রাজমিস্ত্রি থেকে হয়ে উঠলেন রাজনীতিক, হয়ে গেলেন কোটি কোটি টাকার মালিক,এ যেন আলাদিনের চেরাগ।
ইসারুল এক সময় রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন এখন ইকোটেক্স ফ্যাক্টরিতে মেকানিস পদে চাকরি করেন দীর্ঘ ১০ বছর ধরে বহল তবিয়তে চাকরি জীবন অতিবাহিত করছেন।
চাকরির পাশাপাশি রাজনীতিক হিসাবে তিনি ব্যাপক ভাবে পরিচিত।
ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের সময় গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মহল্লা কমিটির সহ-সভাপতি ছিলেন। মজার ব্যাপার হচ্ছে তিনি ভোল পাল্টে এখন বিএনপির উক্ত ৬ নং ওয়ার্ডের শ্রমিক দলের সভাপতি হিসেবে নিজেকে জাহির করে।
আদৌ তিনি উক্ত পদে আছেন কিনা এ ব্যাপারে তদন্তের দাবি রাখে। তবে তিনি যে আওয়ামী ফ্যাসিবাদ এর আমলে রাজনীতি করে কোটি কোটি টাকার মালিক হয়ে গেছেন তা এলাকাবাসীর অজানা নয়।
আওয়ামী ফ্যাসিবাদের সময় তিনি এলাকাবাসীর সাথে ফেরাউনের মতো আচরণ করতেন যে কারণে মানুষ তাকে যথেষ্ট পরিমাণ ভয় পেত কেউ কখনো তার সামনা সামনি মুখ খোলেননি কিন্তু চায়ের আড্ডাই চুপিচুপি গল্পে তার মাদক সিন্ডিকেট, চাঁদাবাজির মাধ্যমে কোটিপতি হওয়ার গল্প ভেসে বেড়াই।
বর্তমানে বিএনপির নাম ভাঙিয়ে মাদক সিন্ডিকেট ও চাঁদাবাজি অব্যাহত রেখেছেন। সামান্য বেতনে চাকরি করে তিনতলা বাড়ি বানানো , একটি টিনশেড কলোনির মালিক, একটি মার্কেট , সম্প্রতি তার জন্মস্থানে বিগায় বিগায় জায়গা রয়েছে এবং কিছুদিন আগে চারটি প্লট নতুন করে ক্রয় করেছেন। জনমনে প্রশ্ন এই সামান্য চাকরি করে কি এমন আলাদিনের চেরাগ বাতি পেলেন বা কোন বৈধ ইনকাম এ তিনি এত কিছু করেছেন।
অতএব “ডাল মে কুচ কালা হে”
তার বিরুদ্ধে আরেকটি গুরুতর অভিযোগ হচ্ছে সে মমতাজ উদ্দিন জামে মসজিদের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বিগত ১০ বছর। এই দশ বছরে কোন হিসাব পত্র মুসল্লিদের কাছে প্রদান করেনি। হিসাব পত্র চাইতে গেলে তিনি নানারকম ভয় ভীতির প্রদর্শন করেন। আগে আওয়ামী ফ্যাসিস্ট মাধ্যমে বর্তমানে বিএনপির বিভিন্ন নেতার নাম ভাঙিয়ে মুসল্লিদের জিম্মি করে রাখছেন।
এলাকাবাসী চান এই আওয়ামী ফ্যাসিস্টের মুখোশ উন্মোচন করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা। এই আওয়ামী ফ্যাসিস্ট ভোল পাল্টে যেন বিএনপির মধ্যে ঢুকে ফ্যাসিবাদী কায়দা সৃষ্টি করতে না পারে স্থানীয় বিএনপি নেতাদের কাছে আকুল আবেদন করছে স্থানীয় এলাকাবাসী।







