সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া উপজেলার সন্তান নাঈম হাসান ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং শেষ করে চাকরির পেছনে না ছুটে নিজের সৃজনশীলতা ও দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে হয়েছেন সফল উদ্যোক্তা। তিনি ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং শেষ করে স্বল্প পরিসরে শুরু করেন ভাস্কর্য তৈরীর কারখানা যা এখন পরিণত হয়েছে কর্মসংস্থানের অন্যতম উৎসে ।তার কারখানায় এখন কাজ করছেন প্রায় ১৭ জন শ্রমিক। এতে করে নিজের কর্মসংস্থানের পাশাপাশি অন্যদেরও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়েছে। তার এ কারখানাটি উল্লাপাড়া পৌর বাস টার্মিনালের পাশে বাঁখুয়া নামক স্থানে গড়ে উঠেছে। সেখানে তৈরি হচ্ছে বাঘ, সিংহ, হরিণ,হাতি, ঘোড়া, জিরাফ, ঈগল পাখি, প্রজাপতি, সূর্যমুখী ফুল, গোলাপ ফুল সহ বিভিন্ন প্রাণীর মূর্তি, ফাইবারের ভাস্কর্য ও নানা ধরনের পার্কের বিভিন্ন রাইড। দক্ষ কারিগর ও শিল্পীদের হাতে তৈরি এসব সৌখিন সামগ্রী চলে যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ।নাঈম হাসান বলেন ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং শেষ করার পর চাকরির পরিবর্তে নিজে কিছু করার সিদ্ধান্ত নেই এবং প্রথমে স্বল্প পরিসরে শুরু করে ধীরে ধীরে উদ্যোগের পরিধি বাড়াই। বর্তমানে প্রায় ১৭ জন শ্রমিক নিয়মিত আমার কারখানায় কাজ করছেন । কারখানা শ্রমিক রাকিব হোসেন বলেন আগে তাদের নিয়মিত কোন কাজ ছিল না বর্তমানে নাঈম হাসানের কারখানায় কাজ করে তারা ভালোভাবে জীবন জীবিকা নির্বাহ করছেন ।যদি স্থানীয়ভাবে আরও এ ধরনের বিভিন্ন কারখানা গড়ে ওঠে তাহলে এ এলাকার বেকার তরুণদের বড় কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে তারা মনে করে । উল্লাপাড়া উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম বলেন উল্লাপাড়া পৌর বাস টার্মিনাল এর পাশে নাঈম হাসানের তৈরি বিভিন্ন প্রাণীর মূর্তি ও ভাস্কর্য তৈরীর কারখানা তিনি দেখেছেন ।এবং সেখানে বেশ কিছু লোকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।নাঈম হাসানের উদ্যোগ সত্যিই অনুপ্রেরণাদায়ক ।তিনি চাকরির পিছনে না ছুটে নিজে একজন সফল উদ্যোক্তা হয়েছেন তা অনেকের জন্য অনুপ্রেরণার ।ভবিষ্যতে নাঈম হাসানের সমাজসেবা অফিস থেকে কোন ধরনের সহযোগিতার প্রয়োজন হলে তাদের পক্ষ থেকে সে সকল সহযোগিতা প্রদান করবেন বলেও তিনি জানান। স্থানীয়দের সাথে কথা বলার এক পর্যায়ে তারা বলেন নাঈম হাসানের উদ্যোগ, শুধু যে তার নিজের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করেছে তা নয় এর সাথে আরো অনেক লোকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। আমরা নাঈম হাসানের সমৃদ্ধি ও উন্নতি কামনা করি।







