সংসদের উচ্চকক্ষ ও নিম্ন কক্ষ কী?
মুজিবুল হাসান ছোটন (কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি)
সরাসরি জনগণের ভোটে নির্বাচিত নিম্নকক্ষ বা ‘জাতীয় সংসদ’ রাষ্ট্রের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করবে। দেশের বাজেট এবং অর্থসংক্রান্ত সব বিল পাশ করার একচ্ছত্র ক্ষমতা শুধুমাত্র নিম্নকক্ষের হাতে থাকবে। তবে অর্থবিল ছাড়া অন্য যেকোনো বিল পাশের জন্য দুই কক্ষের সমন্বয় প্রয়োজন হবে। সংসদের উচ্চকক্ষ মূলত নিম্নকক্ষ থেকে পাশ হওয়া বিলগুলোকে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যালোচনা করবে, যা একটি ‘দ্বিতীয় চিন্তার’ সুযোগ হিসেবে কাজ করবে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) আনুষ্ঠানিকভাবে গেজেট আকারে নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে সংসদ অধিবেশন শুরু হবে।
এবারের সংসদ কিছুটা আলাদা হবে। দেশের ইতিহাসে এখন পর্যন্ত এককক্ষবিশিষ্ট সংসদ থাকলেও এবারই প্রথম দুই কক্ষবিশিষ্ট সংসদ গঠিত হচ্ছে—নিম্নকক্ষ ও উচ্চকক্ষ। জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত সদস্যরা থাকবেন নিম্নকক্ষে। নির্বাচিত ৩০০ সদস্যের সঙ্গে সংরক্ষিত আসনের নারী সদস্য ৫০ জনও অন্তর্ভুক্ত হবেন।
উচ্চকক্ষ গঠিত হবে প্রথম সংসদ অধিবেশন হওয়ার ২১০ দিনের মধ্যে। প্রথম ১৮০ দিনে নিম্নকক্ষের সদস্যরা সংবিধান সংশোধনের কাজ সম্পন্ন করবেন। পরবর্তী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে সংসদ নির্বাচনে প্রাপ্ত ভোটের আনুপাতিক হারে উচ্চকক্ষ গঠন করা হবে। উচ্চকক্ষের মেয়াদ হবে নিম্নকক্ষের শেষ কার্যদিবস পর্যন্ত।







