, ,

অসাধু কর্মকর্তা ও এলজিইডিতে একটা দুর্নীতিচক্রের ফায়দা হাসিলের বিভিন্ন পন্থা নিয়ে রীতিমত সার্কাস চলছে একদল সুবিধাবাদি দুষ্টু চক্রের।

নিউজটি শেয়ার করুন

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)-এর প্রধান কার্যালয়ে কর্মরত এই সব দুষ্টুচক্র ট্যাগিং ও মব সৃষ্টির মাধ্যমে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খোঁজ নিয়ে এমন ষড়যন্ত্রের প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। অভিযোগে বলা হয়, এলজিইডির একদল অসাধু কর্মকর্তা নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোহাম্মদ শরীফ হোসেনকে একটি তথাকথিত ‘ইচচ’ কমিটির সদস্য হিসেবে দেখিয়ে তার পদোন্নতি ঠেকানোর চেষ্টা করেছে। ভুয়া তালিকায় তাকে ইচচ কমিটির সদস্য উল্লেখ করে তার পদবি লেখা হয়েছে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব), যা বাস্তবতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। ভুক্তভোগী মোহাম্মদ শরীফ হোসেন জানান, বর্তমানে তিনি এলজিইডির কুষ্টিয়া অঞ্চলে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব) হিসেবে কর্মরত। তিনি ১৯৯২ সালের ২৬ নভেম্বর বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) সুপারিশে এলজিইডিতে সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে যোগদান করেন এবং দীর্ঘ কর্মজীবনে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তিনি কখনও কোনো দলীয় পরিচয়ে কাজ করেননি বলেও দাবি করেন। শরীফ হোসেন বলেন, “সাম্প্রতিক সময়ে আমাকে ইচচ নামীয় একাধিক কমিটিতে সদস্য হিসেবে দেখিয়ে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। আমার জানামতে এলজিইডিতে ইচচ নামে কোনো অনুমোদিত কমিটির অস্তিত্ব নেই। অথচ দুটি তথাকথিত কমিটিতে আমাকে সদস্য দেখানো হয়েছে, যেখানে কমিটি অনুমোদনের তারিখ দেখানো হয়েছে ০২/১১/২০২৩। ওই সময় আমি তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী কর্মরত ছিলাম না, বরং প্রকল্প পরিচালক হিসেবে কর্মরত ছিলাম।”
তিনি আরও তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর
জানান, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী হিসেবে তিনি পদোন্নতি পান ১০ জানুয়ারি ২০২৪ সালে। “আমি যদি সত্যিই কোনো ইচচ কমিটির সঙ্গে যুক্ত থাকতাম, তাহলে আমার পদবি ভুলভাবে উল্লেখ হওয়ার কোনো প্রশ্নই ওঠে না। এটি স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে যে কমিটিগুলো ভুয়া এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, “বলেন তিনি। ভুক্তভোগীর অভিযোগ, তাকে হেয় করা এবং ভবিষ্যৎ পদোন্নতি ব্যাহত করতেই এই ভুয়া তালিকা তৈরি করা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, কর্মজীবনে তিনি কখনোই সরকারি অনুশাসনের বাইরে কোনো অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন না। এ ঘটনায় তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে মোহাম্মদ শরীফ হোসেন সংশ্লিষ্ট দুষ্টুচক্রের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “এ ধরনের অপচেষ্টা বন্ধ না হলে ভবিষ্যতে আরও নিরীহ কর্মকর্তা ষড়যন্ত্রের শিকার হবেন।” এককথায় এলজিইডিতে অসাধু কর্মকর্তা দুর্নীতিবাজ চক্রের অপকর্ম ঢাকতে তত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর পদোন্নতি ঠেকাতে অপপ্রচার তুঙ্গে