জামালপুরের সিংহজানী খাদ্য গুদামের খাদ্য পরিদর্শক ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (এসএমও) ইসরাত আহমেদ (পাপেল)-এর বিরুদ্ধে বিভিন্ন মাধ্যমে অপপ্রচার ও গুজব ছড়ানোর অভিযোগে প্রতিবাদ এবং তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে এই তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
তিনি জানান, গত ১৯ আগস্ট থেকে ২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন অনলাইন, স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে জড়িয়ে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ পরিবেশন করা হয়েছে। বিশেষ করে ‘দৈনিক ঐশী বাংলা’, ‘অগ্রযাত্রা প্রতিদিন’, ‘দৈনিক ঘোষণা’ পত্রিকা এবং ‘ব্রহ্মপুত্র প্রতিদিন’ ফেসবুক আইডিসহ বিভিন্ন মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জন, রাজনীতিতে সম্পৃক্ততা ও পরকীয়া কেলেঙ্কারির মতো অভিযোগ তুলে যেসব সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে—তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও সম্মানহানিকর।
সংবাদের সত্যতা চ্যালেন্জ করে ইসরাত আহমেদ বলেন, “আমি কখনোই কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলাম না। আমি একটি সম্ভ্রান্ত মুসলিম ও বীর মুক্তিযোদ্ধার পরিবারের সন্তান। পারিবারিকভাবেই আমরা সুপ্রতিষ্ঠিত। চাকরিজীবনে সবসময় সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছি, কখনো কোনো দুর্নীতি বা অনিয়মের সঙ্গে আপস করিনি।”
কর্মক্ষেত্রে কঠোর অবস্থানের কারণে একটি স্বার্থান্বেষী মহল ক্ষুব্ধ হয়ে তার বিরুদ্ধে চক্রান্ত করছে উল্লেখ করে তিনি অভিযোগ করেন, “একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে আমার কাছে অনৈতিক অর্থ দাবি করে আসছিল। তাদের দাবি না মানায় তারা চক্রান্ত করে ভিত্তিহীন তথ্য ছড়িয়ে আমাকে ও আমার পরিবারকে সামাজিক ও দাপ্তরিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। আমাকে নানাভাবে হুমকিও দেওয়া হচ্ছে। এই বিষয়ে আমি শিগগিরই আইনের আশ্রয় নেব।”
বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি সব গণমাধ্যমকর্মী ও সম্পাদকের উদ্দেশ্যে আহ্বান জানান—ভবিষ্যতে কোনো সংবাদ প্রকাশের আগে যেন তথ্যের সঠিকতা যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য গ্রহণ করা হয়। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ ধরনের বিভ্রান্তিকর গুজবে কান না দেওয়ার জন্য সর্বসাধারণের প্রতি অনুরোধ জানান তিনি।







