, ,

৭০ বছরের বৃদ্ধার ধর্ষণ ঘটনার বিচারের দাবিতে স্মারকলিপি

নিউজটি শেয়ার করুন

‎গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ধাপেরহাট এলাকায় ৭০ বছর বয়সী নারী কে ধর্ষণের অভিযোগের ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে জড়িতদের গ্রেফতার করে দ্রæত আইনের আওতায় আনার দাবিতে সোমবার দুপুরে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো: শরীফ আল রাজীবের বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করে। বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ গাইবান্ধা জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ এই স্মারকলিপি প্রদান করেন।
‎স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, গাইবান্ধা জেলার সাদুল্লাপুর উপজেলার ধাপেরহাট এলাকায় ৭০ বছর বয়সী নারী ছাগল আনতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হয়। এই ঘটনায় ধর্ষণের শিকার নারীটি গুরুতর অসুস্থ হয়ে সাদুল্লাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। নির্যাতিত নারীটি এখনও রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এই ঘটনায় মহিলা পরিষদ নেতৃবৃন্দ উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং সুষ্ঠু তদন্ত করে ধর্ষণের সাথে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রæত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়ে স্মারকলিপি প্রদান করেন।
‎পুলিশ সুপার গ্রহণকালে মহিলা পরিষদের নেতৃবৃন্দকে আশ্বস্ত করে বলেন, মেডিকেল রিপোর্টে ধর্ষণের প্রমাণ পাওয়া গেলে কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না।
‎স্মারকলিপি প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ গাইবান্ধা জেলা শাখার সভাপতি মাহফুজা খানম মিতা, সাধারণ সম্পাদক রিকতু প্রসাদ, লিগ্যাল এইড সম্পাদক নিয়াজ আক্তার ইয়াসমিন।
‎

নোয়াখালীতে খাসজমি দখল ও ভূমিহীনদের উচ্ছেদের অভিযোগ চর দরবেশ মৌজাসহ বিভিন্ন এলাকায় মাটি কাটা ও জমির শ্রেণি পরিবর্তন করে আবাসিক ভবন নির্মাণের অভিযোগ, তদন্ত দাবি নোয়াখালী প্রতিনিধি নোয়াখালীর ৯১ নম্বর চর দরবেশ মৌজাসহ বিভিন্ন এলাকায় বিপুল পরিমাণ খাসজমি দখল, মাটি কেটে জমির শ্রেণি পরিবর্তন, আবাসিক ভবন নির্মাণ এবং ভূমিহীনদের উচ্ছেদের অভিযোগ উঠেছে। এসব কর্মকাণ্ডের সঙ্গে একটি ভূমি দখলকারী চক্র জড়িত বলে অভিযোগ করেছেন সাংবাদিক রহিম খান। তিনি নোয়াখালী জার্নালিস্ট ফোরামের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। অভিযোগের বিষয়ে অবিলম্বে তদন্ত করে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে সরকারি খাসজমি উদ্ধারের পাশাপাশি প্রকৃত ভূমিহীনদের ভূমির অধিকার ও বসবাসের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, সরকারি খাসজমি দখল, মাটি কেটে জমির প্রকৃতি ও শ্রেণি পরিবর্তন এবং সেখানে আবাসিক ভবন নির্মাণের মতো কর্মকাণ্ডের ফলে সরকারি সম্পত্তি রক্ষা ও ভূমিহীনদের স্বার্থ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে সংশ্লিষ্ট জমির মালিকানা, শ্রেণি, দখল ও ব্যবহারের বর্তমান অবস্থা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। ভূমিহীন মানুষের জন্য সরকারি খাসজমি গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। এ ধরনের জমি অবৈধভাবে দখলের অভিযোগ প্রমাণিত হলে তা সরকারি সম্পত্তি সংরক্ষণ এবং অসহায় মানুষের অধিকার রক্ষার ক্ষেত্রে গুরুতর প্রশ্ন তৈরি করে। এ অবস্থায় জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং সংশ্লিষ্ট ভূমি কার্যালয়ের মাধ্যমে অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি উঠেছে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট মৌজার ভূমি রেকর্ড, খতিয়ান, দাগ নম্বর, জমির শ্রেণি, দখলসংক্রান্ত নথি এবং ভবন নির্মাণের অনুমোদন যাচাইয়ের প্রয়োজন রয়েছে। অভিযোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হিসেবে নূর হোসেনের নাম উল্লেখ করা হলেও, তাঁর বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা যাচাই এবং তাঁর বক্তব্য নেওয়া জরুরি। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা প্রয়োজন। স্থানীয় প্রশাসনের কাছে দাবি, অভিযোগগুলো দ্রুত তদন্ত করে সরকারি জমি দখলের প্রমাণ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যাতে হয়রানির শিকার না হন, তা নিশ্চিত করতে হবে।