ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের মূল্যায়নের মাধ্যমে সংগঠনকে আরও কার্যকর ও শক্তিশালী প্ল্যাটফর্মে পরিণত করা সম্ভব ।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির সহযোগী সংগঠন স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি পদে প্রার্থী হয়েছেন সংগঠনটির সাবেক নেতা নজরুল ইসলাম (নোমান)। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, তৃণমূলভিত্তিক সাংগঠনিক দক্ষতা এবং আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকার কারণে তিনি আলোচনায় রয়েছেন। নজরুল ইসলাম (নোমান) ছাত্রজীবন থেকেই নেতৃত্বগুণের স্বাক্ষর রাখেন। তিনি রাজধানীর হাবিবুল্লাহ বাহার কলেজের সফল ভিপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, যা তার রাজনৈতিক জীবনের গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত। পরবর্তীতে তিনি জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া ঢাকা মহানগর দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।
নোমান বলেন, ছাত্রদলে থাকাকালীন রাজপথের আন্দোলনে সক্রিয় ছিলাম। ১৯৯৬ সালে হাসিনা সরকারের সময় রাজপথে ছিলাম। বিগত দিনগুলোতে বিএনপির দুঃসময়ে দলের জন্য কাজ করেছি। জেল জুলুম সহ্য করেছি। ডিবি হারুনের দ্বারা নির্যাতিত হয়েছি। আমি দলের ত্যাগীদেরএকজন। কখনও পদের জন্য রাজনীতি করিনি। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, বেগম জিয়া এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আদর্শ মেনে রাজনীতি করি। নেতাকর্মীদের অনেকেই আমাকে স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি হিসেবে দেখতে চাইছেন। তাদের কথা ভেবে, সংগঠনটিকে আরও শক্তিশালী করতে সভাপতি প্রার্থী হয়েছি।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, বিএনপির বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রাম, হরতাল ও অবরোধ কর্মসূচিতে তিনি সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছেন এবং বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীকে সংগঠিত করে মাঠে নেতৃত্ব দিয়েছেন। তৃণমূলের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক এবং কর্মীবান্ধব মনোভাব তাকে নেতাকর্মীদের কাছে জনপ্রিয় করে তুলেছে। রাজনৈতিক জীবনে তিনি বিভিন্ন সময় মামলা, হামলা ও হয়রানির শিকার হয়েছেন বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও সংগঠনের প্রতি তার নিষ্ঠা ও ধারাবাহিক সক্রিয়তা তাকে একজন পরীক্ষিত ও অভিজ্ঞ সংগঠক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। রাজনৈতিক প্রতিকূলতা থেকে অর্জিত অভিজ্ঞতাকে তিনি ভবিষ্যৎ নেতৃত্বে কাজে লাগাতে চান বলে জানা গেছে।
নজরুল ইসলাম (নোমান) কেন্দ্রীয় সভাপতি পদে প্রার্থী হয়ে সংগঠনকে আরও সুসংগঠিত, শক্তিশালী ও গতিশীল করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। তিনি মনে করেন, ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের মূল্যায়নের মাধ্যমে স্বেচ্ছাসেবক দলকে আগামী দিনে আরও কার্যকর ও শক্তিশালী প্ল্যাটফর্মে পরিণত করা সম্ভব।
দলীয় নেতাকর্মীদের একাংশের মতে, তার দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং কঠিন সময়ে দলের পাশে থাকার মানসিকতা তাকে এই গুরুত্বপূর্ণ পদের জন্য একজন যোগ্য প্রার্থী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।







