, ,

সানজিদা ইসলাম তুলি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার : বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার সমিতি

নিউজটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার সমিতি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে যে, মায়ের ডাক সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও সমন্বয়ক এবং ঢাকা-১৪ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী সানজিদা ইসলাম তুলি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েছেন। সমিতির চেয়ারম্যান মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা, মহাসচিব এডভোকেট সাইফুল ইসলাম সেকুল এবং সাংগঠনিক সম্পাদক লায়ন আল আমিন স্বাক্ষরিত এক যৌথ বিবৃতিতে এই অভিযোগ তুলেছেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, সানজিদা ইসলাম তুলি সব সময় অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার থেকেছেন। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে তার উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রয়েছে। দেশের অভ্যন্তরেও তিনি মায়ের ডাক সংগঠনের মাধ্যমে মানবিক, ন্যায়বিচার ও অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন জারি রেখেছেন। তার এই দৃঢ় অবস্থানই তাকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার মুখে ঠেলে দিয়েছে বলে দাবি সমিতির নেতৃবৃন্দের।

তাদের অভিযোগ, ঢাকা-১৪ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ঘোষিত হওয়ার পর থেকেই তার বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্র শুরু হয়। সম্প্রতি পুরুষের একাধিক বিবাহসংক্রান্ত মন্তব্য নিয়ে বিতর্ক হলে তিনি প্রকাশ্যে দুঃখ প্রকাশ করেন এবং নিজের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দেন। তা সত্ত্বেও তার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করা হয়েছে, যা মানবাধিকার সমিতির মতে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এই মামলা মূলত হয়রানি করা, সময় নষ্ট করা এবং তার রাজনৈতিক অবস্থানকে দুর্বল করার অপকৌশল। সমিতি মনে করে, রাজনৈতিক ভিন্নমতের উপর হামলা ও হয়রানি গণতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থার জন্য হুমকিস্বরূপ।

বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার সমিতির নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে এই মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান। তারা বলেন, “রাষ্ট্রকে অবশ্যই ন্যায়বিচারের পক্ষে দাঁড়াতে হবে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বা ষড়যন্ত্র কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।”

বিবৃতিতে তারা সানজিদা ইসলাম তুলির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং তার প্রতি সকল রকম সম্মানজনক আচরণ বজায় রাখার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো আইনের শাসন, মানবাধিকার এবং রাজনৈতিক স্বাধীনতার মূল্যবোধ রক্ষায় দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবে।