, ,

শিক্ষা, সম্পদ, জনপ্রিয়তা ভিন্ন আঙ্গিকে খুলনার এক ও দুই আসনের হলফনামা বিশ্লেষণ,

নিউজটি শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে খুলনা দুই আসনে চারজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র করেছে। নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামায় দেওয়া তথ্য মতে চারজন প্রার্থী উচ্চশিক্ষিত। সাবেক সংসদ সদস্য ও জনপ্রিয় তার শীর্ষে নজরুল ইসলাম মঞ্জু ছাড়া বাকি তিনজন প্রথমবারের মতো নির্বাচন অংশগ্রহণ করছেন। সাবেক সংসদ নজরুল ইসলাম মঞ্জু পূর্বের ন্যায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি থেকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন। বর্তমানে তিনি অন্য তিন প্রার্থী থেকে জনপ্রিয়তায় এগিয়ে আছেন। তিনি এলএলবি পাস এবং হলফনামা অনুযায়ী তিনি নিজেকে ব্যবসায়ী হিসাবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বার্ষিক আয় হিসাবে বছরের সারে চার লক্ষ টাকা উল্লেখ করেছেন। জামায়েত নেতা এডভোকেট জাহাঙ্গীর হোসেন হেলাল এমএসএস ও এলএলবি ডিগ্রিধারী। তিনি পেশা একজন আইনজীবী। বার্ষিক আয় ৫ লক্ষ টাকা। খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মোঃ শহিদুল ইসলাম এমএসএস ও এলএলবি পাশ এবং আইনজীবী। বার্ষিক আয় চার লক্ষ দশ হাজার টাকা। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী আমানুল্লাহ এম এস সি ও পি এইচ ডি ডিগ্রী ধারি। শিক্ষকতার পাশাপাশি ব্যবসা ও বাড়ি ভাড়া তিনি তার আয়ের অন্যতম হিসেবে দেখিয়েছে। হলফনামা থেকে পাওয়া তথ্য অনুসারে জামায়েত নেতা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন হেলাল বিগত সরকারের আমলে বেশি মামলার শিকার হয়েছিলেন। তার বিরুদ্ধে মোট২৮ টি মামলা হয়েছিল। এরমধ্যে দুটি মামলা অব্যাহতি ও ২৬ টি মামলায় খালাস পেয়েছেন। হলফনামায় নজরুল ইসলাম মঞ্জু ১১ টি মামলার কথা উল্লেখ করেছেন। তার মধ্যে দুইটি মামলায় অব্যাহতি ও ছয়টিতে খালাসের কথা উল্লেখ করেছেন।
খুলনা এক আসনের সংসদীয় আসনে হলফনামায় মোট ১৩ জন প্রার্থীর মধ্যে বাংলাদেশ জামায়েত ইসলামী প্রার্থী কৃষ্ণ নন্দী শিক্ষাগত যোগ্যতা এসএসসি পাস। তবে অর্থের দিকে তিনি এগিয়ে আছেন। হলফনামায় তার অর্থের পরিমাণ ১৮ কোটি ৫৩ লাখ ৩৯ হাজার ৯৮৪ টাকা দেখিয়েছেন। এ আসনে জনপ্রিয় মুখ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আমির এজাজ খান। তার অর্থের পরিমাণ প্রায় চার কোটি টাকা। এ আসনে সবচেয়ে কম সম্পদের মালিক ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মোঃ আবু সাঈদ তার অর্থ ও সম্পদের পরিমাণ মাত্র ২ লক্ষ টাকা।।