, ,

লামায় আদালতের জব্দকৃত কাঠ বিক্রির অভিযোগে তোলপাড়

নিউজটি শেয়ার করুন

বান্দরবানের লামা উপজেলায় আদালতের জব্দ করা কাঠ বিক্রির ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
জানা যায়, আনুমানিক দেড়শত ফুট কাঠ থানায় নেওয়ার পথে মামলার বাদীর যোগসাজশে স্থানীয় একটি করাতকলে বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত হিসেবে মেরাখোলা এলাকার বাসিন্দা মোজাম্মেল ও লামা থানার এসআই আলমগীরের নাম উঠে এসেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আদালতের নির্দেশে জব্দ করা কাঠ আইন অনুযায়ী থানায় জমা দেওয়ার কথা থাকলেও পথে তা অন্য খাতে সরিয়ে নেওয়া হয়। অভিযোগ রয়েছে, বাদী ও পুলিশের সহযোগিতায় কাঠগুলো গোপনে স্থানীয় একটি করাতকলে বিক্রি করা হয়। এ খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ও হট্টগোল দেখা দেয়।
এলাকার কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, কাঠগুলো থানায় না গিয়ে সরাসরি করাতকলেই পৌঁছে যায়। বিষয়টি নিয়ে তারা প্রশ্ন তোলেন—“আইনের কাছে জমা দেওয়ার জিনিস কীভাবে বিক্রি হলো?”
এদিকে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে এলাকাবাসী ইতিমধ্যে প্রতিবাদে সরব হয়েছে। তারা বলছে, এভাবে আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে যদি সরকারি মালামাল বিক্রি হয়ে যায়, তাহলে সাধারণ মানুষ ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হবে।
লামা থানার দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা কোনো মন্তব্য দিতে রাজি হননি। তবে স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, ঘটনাটি সুষ্ঠুভাবে তদন্ত করা হলে পুরো সত্য প্রকাশ পাবে।
এই ঘটনায় এলাকায় তীব্র সমালোচনা চলছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভাবমূর্তি প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।