, ,

রাজনগরের গণমানুষের নেতা জনাব জিতু মিয়া: অভিজ্ঞতা ও রাজনৈতিক প্রজ্ঞার মূল্যায়নই বিএনপির ভিত্তি মজবুত করতে পারে

নিউজটি শেয়ার করুন

মৌলভীবাজারের রাজনীতিতে হাতেগোনা যে কজন প্রবীণ, পরীক্ষিত ও তৃণমূলের প্রাণপুরুষ নেতা রয়েছেন, তাঁদের অন্যতম ২নং উত্তরভাগ ইউনিয়নের সাবেক সফল চেয়ারম্যান এবং রাজনগর উপজেলা বিএনপির সম্মানিত সাবেক সভাপতি জনাব জিতু মিয়া। দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলায় তাঁর দক্ষতা, সাংগঠনিক যোগ্যতা এবং দূরদর্শী প্রজ্ঞা তাঁকে মৌলভীবাজারের রাজনীতির এক অনন্য উচ্চতায় প্রতিষ্ঠিত করেছে।

তৃণমূল থেকে উঠে আসা এই প্রবীণ রাজনীতিক দীর্ঘদিন ধরে দল ও জনগণের সুখে-দুঃখে পাশে থেকেছেন। ২নং উত্তরবাগ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে প্রশাসনিক দক্ষতা ও জনসেবার যে স্বাক্ষর তিনি রেখেছেন, তা এখনও ওই এলাকার মানুষের মুখে মুখে ফেরে। পরবর্তীতে রাজনগর উপজেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালনকালে কঠিন সময়েও তিনি তৃণমূলের কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ রেখেছেন এবং দলকে সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী ভিত্তি প্রদান করেছেন।

মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক কাঠামোতে জনাব জিতু মিয়ার মতো ত্যাগী ও অভিজ্ঞ নেতার উপস্থিতি অত্যন্ত জরুরি। রাজপথের অভিজ্ঞতা এবং ত্যাগকে দলীয় কমিটিতে মূল্যায়ন করা হলে কেবল একজন নেতার সম্মানই রক্ষিত হয় না, বরং পুরো জেলা কমিটির গ্রহণযোগ্যতা, গভীরতা ও সামাজিক মর্যাদা বহুগুণ বৃদ্ধি পায়।

রাজনীতি একটি চলমান প্রক্রিয়া। প্রবীণ ও ত্যাগী নেতাদের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ এবং তাঁদের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার সমাদর করা একটি সুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতির মূল শর্ত। তরুণ ও উদীয়মান নেতাদের মনে রাখা দরকার, আজ যে শিষ্টাচার ও সংস্কৃতি গড়ে তোলা হবে, ভবিষ্যৎ প্রজন্মও সেটিই অনুসরণ করবে।

বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে অভিজ্ঞতা, ত্যাগ, সাংগঠনিক দক্ষতা ও তৃণমূলের সঙ্গে সুদৃঢ় সম্পৃক্ততাকে যথাযথ মূল্যায়ন করার সময় এসেছে। জনাব জিতু মিয়ার মতো পরীক্ষিত ও দূরদর্শী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের প্রজ্ঞাকে কাজে লাগানো গেলে মৌলভীবাজার জেলা বিএনপি কেবল আরও সুসংগঠিতই হবে না, বরং সাধারণ মানুষের কাছেও দলের গ্রহণযোগ্যতা আরও সুদৃঢ় হবে। প্রবীণদের যথাযথ মর্যাদা দেওয়া এবং তাঁদের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগানোই একটি আদর্শ রাজনৈতিক সংগঠনের শক্তির প্রধান উৎস।