, ,

মুরাদনগর উপজেলা পরিষদের সিএ ইকবাল হোসেনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ, সব অভিযোগ অস্বীকার

নিউজটি শেয়ার করুন

কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলা পরিষদের সিএ ইকবাল হোসেনের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন মহলে আয়-বহির্ভূত সম্পদ, অনিয়ম এবং মাদক-সংক্রান্ত সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগকারীদের দাবি, ইকবাল হোসেনের নামে ও তার স্বজনদের নামে দেশের বিভিন্ন স্থানে স্থাবর সম্পত্তি রয়েছে। এছাড়া তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের অনিয়মের অভিযোগও তোলা হয়েছে।
তবে এসব অভিযোগের পক্ষে স্বাধীনভাবে যাচাইযোগ্য কোনো নথি বা প্রমাণ এই প্রতিবেদনের হাতে আসেনি। একইভাবে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকেও অভিযোগগুলো প্রমাণিত হয়েছে—এমন কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য পাওয়া যায়নি।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ইকবাল হোসেন বলেন, “আমার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। আমার গ্রামের বাড়ি ছাড়া অন্য কোথাও কোনো বাড়ি, প্লট বা ফ্ল্যাট নেই। আমি ও আমার স্ত্রী দুজনই চাকরি করি। মাদকের সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।”
তিনি আরও বলেন, অভিযোগগুলো উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার জন্য প্রচার করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে।

এছাড়াও তিনি সংবাদ প্রকাশ বন্ধ রাখার উদ্দেশ্যে ১০ হাজার টাকা দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন।
বিঃদ্রঃ অভিযোগগুলো এখনো প্রমাণিত নয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ততের সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত এগুলোকে অভিযোগ হিসেবেই বিবেচনা করা উচিত।