, ,

ভাটারা থানার ৪০ নং ওয়ার্ডে মাদক নির্মুলে “সুধী সমাবেশ” আলোচনা অনুষ্ঠান

নিউজটি শেয়ার করুন

নিজস্ব প্রতিবেদক মোঃ আল আমিন ঃ রাজধানী ঢাকার ভাটারা থানাস্থ ৪০ নং ওয়ার্ডে মাদক নামক সর্বনাশা নেশার ছোবল থেকে যুবসমাজ কে রক্ষায় আনন্দধারা স্যোসাইটির উদ্যোগে আয়োজিত হয়েছে “সুধী সমাবেশ” আলোচনা অনুষ্ঠান। এ-ই আলোচনা সভার মুল স্লোগান ছিলো
” আসুন আমরা সবাই
এক সাথে কাজ করি
মাদকমুক্ত, সন্ত্রাসমুক্ত
শান্তিপূর্ণ সমাজ গড়ি”
উক্ত আলোচনা অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ৪০নং ওয়ার্ডের কৃতি সন্তান ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক সদস্য ও বাংলাদেশ অটোমোবাইল ওয়ার্কশপ মালিক সমিতির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির কার্যকরী মহাসচিব ও আনন্দধারা স্যোসাইটির সাধারণ সম্পাদক জনাব আজহারুল ইসলাম সেলিম। উক্ত আলোচনায় ৪০নং ওয়ার্ডে মাদকের ভয়াবহতা প্রকট আকার ধারণ করেছে বলে জানা যায় এখানে প্রতিটি অলিতে-গলিতে যুবসমাজ মাদকের দিকে ঝুকে পরছে এতে করে সমাজে বিভিন্ন অপরাধের সংখ্যা যেমন বাড়ছে তেমনি বাড়ছে সামাজিক নিরাপত্তা ঝুকি,পারিবারিক কলহ, ও অর্থনৈতিক ক্ষতি। এখোনও যদি এ-ই মাদক সেবনকারী ও মাদক কারবারিদের লাগাম টেনে না ধরা যায় তাহলে যুবসমাজের ভবিষ্যৎ অচিরেই ধংশের অভিপ্রায় হবে। ইতিমধ্যে মাদক কারবারিদের চিহ্নিত করা হয়েছে এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে কাজল গং ও মেরি গং এরা একাধিকবার পুলিশের হাতে ধরা পড়লেও বিশেষ কায়দায় জামিনে মুক্তি পেয়ে যায় এবং পুনরায় মাদকবিক্রির কার্যক্রম পরিচালনা করে। এলাকার লোকজনের সাথে আলোচনা কালে উক্ত আলোচনায় উঠে আসে প্রশাসনের লোক এ-ই মাদক কারবারিদের সাথে সম্পৃক্ত আছে। এবং সেই সাহসেই মাদক কারবারিগন দিনে দুপুরে প্রকাশ্যে মাদক বিক্রি করছেন কেউ কিছু বলতে পারছেনা। ৪০নং ওয়ার্ডে মাদকের ছোবল এতটাই ভয়াবহ অবস্থা পৌছেছে যে প্রতিটি এড়িয়াতে কিশোর গ্যাং তৈরী হচ্ছে, প্রায় সময়ই দেখা যাচ্ছে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে এলাকায় মহড়া দিতে এমনকি চাদাবাজী এত হাড়ে বৃদ্ধি পেয়েছে যে প্রকাশ্যে ককটেল বোমা ফাটাচ্ছে, মানুষকে বিভিন্ন ভাবে লাঞ্চিত করছে, এলাকার মা বোন ভয়ে একা রাস্তায় বেরোতে সাহস পাচ্ছেন না। আজকের এ-ই ভয়াবহ অবস্থা থেকে মাদক নামক সর্বনাশা ছোবল থেকে সমাজকে রক্ষায় আজ ৪০নং ওয়ার্ডে আয়োজিত
“সুধী সমাবেশে” দলমত নির্বিশেষে সকল শ্রেনীর মানুষ- চাকুরীজীবি,ব্যবসায়ী, শিক্ষক, ইমাম, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ সহ সবাই উপস্থিত হোন এর থেকে পরিত্রাণের জন্য। উক্ত আলোচনায় মাদক নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন এমন বিশেষ ব্যক্তিত্ব আরও উপস্থিত ছিলেন
(১)আনন্দধারা স্যোসাইটির সভাপতি জনাব মাহবুবুর রহমান স্বপন(২) জনাব নবীয়ার হোসেন-সভাপতি নতুন বাজার দোকান মালিক সমবায় সমিতি ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক জনাব হাবিবুর রহমান হাবিব
(৪)ডাঃ মোঃ নুরুল আমিন বাদশা
সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক
ভাটারা থানা(এনসিপি)
(৫) জনাব আনিসুর রহমান খসরু-সভাপতি(ছোলমাইদ স্কুল এন্ড কলেজ ও ভাটারা নাগরিক মঞ্চ)
(৬) জনাব মোঃ হারুনুর রশীদ -মহাসচিব(ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস ভিশন)
(৭) জনাব মোঃ কামাল হোসেন- যুগ্ন-মহাসচিব কেন্দ্রীয় কমিটিও সভাপতি ভাটারা থানা(বা.অ.ও.মা.স)
(৮) জনাব হেলাল উদ্দিন ঢালী-সাবেক যুগ্ন-আহবায়ক ঢাকা মহানগর উত্তর(বিএনপি)
(৯) জনাব বকুল ঢালী-সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ৪০নং ওয়ার্ড ভাটারা থানা,ভাটারা থানা(বিএনপি)
(১০) জনাব জাকির বেপারি- সদস্য ৪০নং ওয়ার্ড ভাটারা থানা(বিএনপি)
(১১) জনাব সালে মোহাম্মদ-সভাপতি পুর্ব নয়ানগর জামে মসজিদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধা।
(১২) জনাব নুরুদ্দীন-সভাপতি, সাহাবা জামে মসজিদ।
(১৩) জনাব মাসুদ-সাধারন সম্পাদক,ভাটারা নাগরিক মঞ্চ
(১৪) জনাব তানভীর-সাবেক প্রচার সম্পাদক,জাতীয়তাবাদী যুবদল ভাটারা থানা ।
এছাড়াও আলোচক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ৪০নং ওয়ার্ডের- বাতেন ঢালি, নুরুদ্দিন ঢালি, মহিউদ্দিন ঢালি,ওয়াকিল বেপারী, ইদ্রিস আলী,জসু ঢালী, আফতাব উদ্দিন আলী, ফখরুল ঢালি, মনির হোসেন, শাহাদাত হোসেন, মাইনুদ্দিন, ইয়াসিন, ফজলুল হক ঢালি, বাবুল খন্দকার, মোশারফ খন্দকার, কফিল উদ্দিন শেখ, ইয়াকুব দর্জি সহ এলাকার সর্বস্তরের জনগণ। ভাটারা থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব মাজহারুল ইসলাম উক্ত আলোচনায় উপস্থিত থাকার কথা ছিলো কিন্তু কোন একটি কাজে আটকে যাওয়ায় উক্ত আলোচনায় উপস্থিত হতে পারেন নি তবে তিনি পরিপূর্ণ ভাবে আস্বস্ত করেছেন যে এ-ই মাদক নির্মুলে যে কোন প্রয়োজনে ভাটারা থানা পুলিশ সর্বদা ৪০নং ওয়ার্ডের জনগণের পাশে আছেন। উক্ত আলোচনায় প্রত্যেকের একটাই চাওয়া ৪০নং ওয়ার্ড যেনো মাদকমুক্ত হয় এরই লক্ষে আনন্দধারা স্যোসাইটির উদ্যোগে প্রতিটি এলাকায় এলাকা ভিত্তিক মাদক নির্মুল কমিটি করার ঘোষণা দেন। এলাকার এ-ই সোচ্চার দেখে মাদক সেবনকারী ও মাদক কারবারি এবার একটু নড়েচড়ে বসেছে এলাকা বাসীর একাধিক অভিযানে বেশকিছু মাদক ইতিমধ্যে নষ্ট করা হয়েছে ও কয়েকজন কে পুলিশে সপোর্দ করেছে।