স্বদেশ বিচিত্রার প্রতিনিধি ও জিএনএন টিভি ২৪ কেন্দ্রিয় প্রতিনিধি মোহাম্মদ নুরুল্লাহ পিতা মাওলানা হাবিবুর রহমান লাল মিয়া সাং পাচুর পাড়া মেলান্দহ জামালপুর।
কে প্রতিবেশী বাড়িওয়ালা (মঞ্জু লিটন সুলতান সর্ব পিতা রিয়াজ উদ্দিন কামার, রোমান ও রাকিব পিতা মঞ্জু) গং প্রাণে মারার হুমকি দেন। উল্লেখ্য যে ভূমির পূর্ব মালিক রিয়াজ উদ্দিন কামার হইতে বিগত ৪/১০ /১৯৬১ ইং তারিখে ৩৯২৫ নং দলিল মূলে আব্দুল হক কামার প্রাপ্ত হন যাহার সাবেক দাগ ১৩২ হাল দাগ ২৪১ এবং সাবেক দাগ ১৩৩ হালদাগ ২৪২ একুনে ৩৭.৫০ শতক ভুমি ভোগবান থাকা অবস্থায় বি আর এস রেকর্ড আগত হইলে রিয়াজউদ্দিন ও আব্দুল হক কামার উভয়ের নামে ৫৫ নং খতিয়ানে চূড়ান্তভাবে রেকর্ড লিপিবদ্ধ হয় অতঃপর আব্দুল হক কামার আপষে ঘরোয়া বন্টনের মাধ্যমে নিজের সাহাম চিহ্নিত করে নেন এবং ভোগদখলে থাকা অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন তাহার রেখে যাওয়া ত্যাজ্য সম্পত্তি তৎপুত্র ১/হাবিবুর রহমান ওরফে লাল মিয়া ও২/ আবুল হাশেম পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত হন। অতঃপর আবুল হাশেমের নিকট থেকে এক খন্ড দলিল মূলে পৌনে ১৯ শতক ভূমি মোহাম্মদ নুরুল্লাহ প্রাপ্ত হন এবং ২৮/২/১৯৮৪ ইং তারিখে রিয়াজ উদ্দীন এর নিকট হইতে ১৭৭৪ নং দলিল মূলে ২২.৫০ সাড়ে বাইশ শতক ভুমির মালিকানা থাকা স্বত্বেও পূর্ব মালিক পক্ষ তাহাদের বাবার নামে বি আর এস রেকড় দেখাইয়া পেশী শক্তির জোরে
হাল চাষ করতে বাধা দিয়ে আসছে ফলে আজওবদি জমিটি পতিত পড়িয়া আছে। পূর্ব মালিকপক্ষ পর লোভী দাঙ্গাবাজ সমাজে অশান্তি সৃস্টির মাস্টার মাইন বটে পক্ষান্তরে একজন মানবাধিকার কর্মিকে চাদাবাজ সন্ত্রাসী আখ্যা দিয়ে মুঞ্জরুল টেকনিশিয়ান নামে একটি ফেসবোক আইড়ি থেকে বিভিন্ন মিথ্যা ও বানোয়াট প্রোপাগান্ড়া পোস্ট করে যাচ্ছেন যদ্দরুন একজন মানবাধিকার কর্মির মান ক্ষুণ্ণ হয়েছে অথচ মুন্জু সে নিজেই মেলান্দহ পৌরসভা ৯নং ওয়াড় আওয়ামি সেচ্ছাসেবক লীগ সাধারণ সম্পাদক৷ বিগত সরকারের আমলে৷ নিজেই সমস্ত অপকর্মের গড়ফাদার হিসাবে পরিচিত
বিধায় আজও পরের জায়গা জমি জোরপূর্বক ঘর তোলে দখলে নেওয়ার চেস্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। যাহা মেলান্দহ উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা মহোদয় কে অবগত করার মাধ্যমে পাকা ঘর তুলতে বাধা দিলে দলিল মুলে প্রাপ্ত মালিক কেই উলটা ১ লাখ টাকা চাদার অভিযোগ লিখে ফেসবোকে পোস্ট করে যাহা সম্পুর্ণ মিথ্যে বটে অপরদিকে মোঃনুরুল্লাহর নামে একাধিক মিথ্যে মামলা দায়ের করলে বিজ্ঞ আদালত সকল মামলা তদন্ত পূর্বক বিবাদীর পক্ষে রায় দিয়েছেন।






