, ,

পলাশবাড়ী রাঙ্গামাটি মহাশ্মশানে নতুন কমিটি-৩ মাসেই বড় পরিবর্তনের ঘোষণা

নিউজটি শেয়ার করুন

‎গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার কেন্দ্রীয় রাঙ্গামাটি মহাশ্মশানের পরিচালনা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চলা জটিলতা ও ভুল বোঝাবুঝির অবসান ঘটেছে। আলোচনার মাধ্যমে সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে অবশেষে মহাশ্মশানের উন্নয়ন ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে ১১ সদস্যবিশিষ্ট নতুন একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
‎১৫ নভেম্বর শনিবার রাঙ্গামাটি মহাশ্মশান মাঠে স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের আয়োজিত অনুষ্ঠানে নতুন কমিটির নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়। এর আগে পলাশবাড়ী থানার হলরুমে বিদায়ী ও নবাগত কমিটির সদস্যদের নিয়ে শান্তিপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে পূর্বের কমিটির সভাপতি দিলিপ চন্দ্র সাহা, পলাশবাড়ী থানা বিএনপির সভাপতি আব্দুস সামাদ মন্ডল, দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তাবৃন্দসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। নবগঠিত কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্তরা হলেন:
‎সভাপতি-হরিদাস চন্দ্র তরনীদাস (হরিদাস বাবু)
‎সহসভাপতি-কার্তিক চন্দ্র
‎সাধারণ সম্পাদক-শ্যামল চন্দ্র সাহা
‎সহ-সাধারণ সম্পাদক-অরবিন্দু সরকার
‎সাংগঠনিক সম্পাদক-রনজিদ চন্দ্র সরকার
‎ক্যাশিয়ার-রাসুদেব সরকার
‎সদস্য-সুবল কুমার, চন্দন কুমার, সুভাষ চন্দ্র, সজল কুমার বর্মন ও অপূর্ব কুমার
‎নতুন কমিটি ঘোষণা উপলক্ষে স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বী, বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, পুরোহিত, সামাজিক সংগঠন ও রাজনৈতিক মহল নবনির্বাচিত নেতৃত্বকে অভিনন্দন জানান।
‎নবনির্বাচিত সভাপতি শ্রী হরিদাস বাবু বলেন,
‎আগামী তিন মাসের মধ্যেই মহাশ্মশানের দৃশ্যমান উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন করা হবে। আধুনিক মানের একটি বাথরুম নির্মাণের কাজ এই সপ্তাহেই শুরু হচ্ছে। পুকুর, পুকুরপাড়ের চলাচলের পথ, ফুলের বাগানসহ পুরো এলাকা নতুনভাবে সাজানো হবে।
‎তিনি আরও বলেন, স্থানীয়দের সহযোগিতা ও নিজস্ব উদ্যোগেই মহাশ্মশানের সার্বিক উন্নয়ন করা হবে। যারা জায়গা ও অর্থ দিয়ে সহযোগিতা করেছেন, অথবা প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন আমরা তাদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞ।
‎অনুষ্ঠানে উপস্থিত অনেক স্থানীয় ব্যক্তি মহাশ্মশানের উন্নয়ন প্রকল্পে অর্থ সাহায্য, জমি দান এবং দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতার অঙ্গীকার করেন। তাদের প্রত্যাশা-সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এই ধর্মীয় স্থাপনাটি একটি আদর্শ ও আধুনিক রূপে গড়ে উঠবে।
‎দীর্ঘদিনের মতভেদ কাটিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে নতুন কমিটি গঠিত হওয়ায় স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীরা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। তাদের আশা, দায়িত্বশীল নেতৃত্ব ও ধারাবাহিক প্রচেষ্টায় পলাশবাড়ী কেন্দ্রীয় রাঙ্গামাটি মহাশ্মশানের উন্নয়নে নতুন দিগন্ত খুলে যাবে।
‎