ফ্যামলি কার্ড শুমারির তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপার ভাইজার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে সমাজসেবা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। তারাগঞ্জ উপজেলার ফ্যামলি কার্ড শুমারির ২০২৬এর তথ্য সংগ্রহকারি ও সুপারভাইজার নিয়োগকে কেন্দ্র করে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বজন প্রীতির অভিযোগ উঠেছে। অনুসন্ধানে জানাগেছে, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় একাধিক অভিজ্ঞ ধারিদের না নিয়ে নতুন ফ্যাসিবাদের দোসরদের নিয়ে নিয়োগ সম্পূর্ন করা হয়েছে। একাধিক জরিপে অংশগ্রহনকারী রাশেদা বেগম, শেফালি বেগম, শিল্পি রানী, শামিমা আক্তার, লুনা বেগম দুলালী রানীসহ একাধিক পরীক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, এর পূর্বে অর্থনৈতিক শুমারি, কৃষি শুমারি,জনসংখ্যা সুমারি আমরা অংশ গ্রহন করে সফলভাবে কাজ সম্পূর্ন করেছি। কিন্তু এবারে আমাদেরকে না নিয়ে সম্পূর্ন আনারি লোকদেরকে নিয়োগ দিয়েছে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা। আমরা এ গ্রেড পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অফিসে ভাইভা দিয়েছি শুধু আমারেকে নাম জিজ্ঞাসা করে পাঠিয়েদিয়েছে। আমরা ট্যাব ও কম্পিউটারে বিগত জরিপ গুলো সম্পূন করেছি। অথচ পরিপত্র সর্ত অনুযায়ী আমারে অগ্রাধিকার থাকলেও নেওয়া হয়নি। হাড়িয়ারকুঠি ইউনিয়নের লায়লা বেগম, মাহাবুব, শামিম বলেন,উদোক্তা কোন বিধি বিধানে আমারে ভাইবা নিয়েছে, তারা কি কোন কর্মকর্তা। যি তারাই ভাইবা নেয় তাহলে তারে স্ত্রী ও আত্মী-স্বজনরা কিভাবে ফ্যামিলী কার্ডে নিয়োগে অর্ন্তভুক্ত হয়। এখন থেকে বুঝাযায় নিয়োগে স্বজন প্রীতি হয়েছে। উপজেলা জিয়া সাইবার ফোর্স সিনিয়র সহ সভাপতি খায়রুল আলম বলেন, এবারে ফ্যামিলী কার্ড পরীক্ষায় ফ্যাসিবােির নিয়োগ করা হয়েছে। এছাড়াও তিনি আরো অভিযোগ করে বলেন, সমাজসেবা কর্মকর্তা মাহামুদুল হক একজন ফ্যাসিবাদের দোসর তিনি এর আগেও আওয়ামীলীগ সরকারের সময় অনেক অনৈতিক কর্মকান্ড করেছেন। উপজেলা এনসিপির যুগ্ন সম্বনয়নকারী মুছা আহাম্মে বলেন, ফ্যাসিবাদ ও বর্তমান সরকার একাকার। তারা এই নিয়োগ পরীক্ষা প্রক্রিয়া স্বচ্ছভাবে করেনি। ফ্যাসিবারে লোককে এই নিয়োগে ডুকানো হয়েছে। এনসিপির রংপুর মহানগর গর্ভনর রাশেদুল জামান বলেন, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দলীয়করন করা হয়েছে। সারােেশ একই অবস্থা। অনিয়ম ও দুর্নীতি সম্পকে মুঠোফোনে জিজ্ঞাসা করলে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মাহামুদুল হক বলেন, এ বিষয়ে আমার কোন বক্তব্য নেই।







