৫ আগষ্টের পটপরিবর্তনের পর ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি) চলছে প্রশাসক দিয়ে। প্রশাসক নিয়োগের পর স্বচ্ছতা বা সংস্কার হওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে তা হয়নি। সাবেকী আমলের মতো দূর্নীতি অনিয়ম চলছেই।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে (ডিএসসিসি) সরেজমিন অনুসন্ধানে জানা যায় ১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ইং তারিখে ৭৫ টি ওয়ার্ডের মধ্যে প্রায় ৭২ টিতে দরপত্রের আহবান কর্পোরেশন। অনেক ওয়ার্ডে ৮ থেকে ১০ জন দরদাতাও অংশগ্রহণ করেন।
দরপত্রগুলো যাচাই-বাছাই করে ঐ মাসেই নতুন দরদাতাদের সিদ্ধান্তের কথা বলা হলেও তিনমাস অতিবাহিত হলেও আজঅবধি কোন সিদ্ধান্ত না দিয়ে গত বছরের দদরদাতাদের একমাস করে তিনমাসে টাকা জমা নেয়া হয়। এতে করে কারো ব্যক্তি স্বার্থের জন্য কর্পোরেশন আর্থিক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। কেননা গত বছরের চাইতে প্রতিটা ওয়ার্ডে বাৎসরিক নূন্যতম তিনলক্ষ (৩০০০০০) টাকা বৃদ্ধি করেছেন। যাহাতে এক বছরে (২০০০০০০০) দুই কোটি টাকার উপরে কর্পোরেশনের বাড়তি আয় হতো। গত তিনমাসে গত বছরের দরে পূর্বের দরদাতাদের থেকে টাকা জমা নেওয়ায় (৫০০০০০০) পঞ্চাশ লক্ষ টাকার ওপরে আর্থিক ক্ষতিগ্রস্ত হয় কর্পোরেশন।
এ ব্যাপারে ১৮ নভেম্বর ২০২৫ ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জহিরুল ইসলামকে ফোন কলে পাওয়া গেলে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমরা এ বিষয়ে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি প্রশাসক সাহেবের কাছে সব দেয়া আছে। ১৯ নভেম্বর২০২৫ প্রশাসক সাহেবের অফিসিয়াল নাম্বারে ফোন দিলে তিনি রিসিভ করেননি এবং তার পিএসকেও ফোনে পাওয়া যায়নি। এরপর গত ২৬ নভেম্বর প্রশাসক মাহমুদুল হাসান এর ব্যক্তিগত নাম্বার সংগ্রহ করে ফোন করলে তিনি ফোন রিসিভ করেন এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন,আমি অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছি বিধায় এ বিষয়ে সঠিকভাবে সময় দিতে পারছিনা। প্রশ্ন করা হয় গত বছরের রেট থেকে প্রায় প্রতিটি ওয়ার্ডেই বাৎসরিক জমার টাকার পরিমাণ বৃদ্ধি করা হয়েছে। কিন্তু গত তিনমাসে গতবছরের কমদরের টাকা জমা নিয়ে কর্পোরেশনকে আর্থিক ক্ষতিগ্রস্ত করেন। যারা দরপত্রে অংশগ্রহণ করেছেন তাদেরও ভোগান্তি হচ্ছে।
(চলবে)







