
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে পারিবারিক কলহের জেরে মারামারির ঘটনায় ছোট ভাইয়ের স্ত্রী হালিমা খাতুনের লাথিতে মামুন মিয়া (৪৪) নামে এক পল্লী চিকিৎসকের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় হালিমা খাতুনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দুপুরের সময় নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে বুধবার (১২ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে নবীনগর উপজেলার রতনপুর ইউনিয়নের মাঝিয়ারা গ্রামের মৃধাবাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মামুন মিয়া মাঝিয়ারা গ্রামের ২ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত বাবুল মিয়ার ছেলে। তিনি পেশায় পল্লী চিকিৎসক ছিলেন।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বেশ কিছুদিন ধরে পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মামুন মিয়ার স্ত্রী নয়ন তারা ও তাঁর ছোট ভাই সুমনের স্ত্রী হালিমা খাতুনের মধ্যে বিরোধ চলছিল। এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার রাতে মৃধাবাড়িতে দুই পরিবারের সদস্যদের মধ্যে কথাকাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা মারামারিতে রূপ নেয়।
এ সময় হালিমা খাতুন মামুন মিয়ার বুকে লাথি মারলে তিনি গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে তাঁর মৃত্যু হয় বলে পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী নয়ন তারা বাদী হয়ে হালিমা খাতুনকে আসামি করে নবীনগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরশেদুল আলম চৌধুরী বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় থানায় একটি হত্যা মামলা হয়েছে। মামলার আসামি হালিমা খাতুনকে গ্রেপ্তার করে বৃহস্পতিবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।
মোঃ নুর আলম সিদ্দিকী
স্টাফ রিপোর্টার
ব্রাহ্মণবাড়িয়া ।






