, ,

‎গাইবান্ধায় ১৭২ ফিস্টুলা রোগী শনাক্ত-নির্মূলে কাজ করছে ল্যাম্ব ও ইউএনএফপিএ

নিউজটি শেয়ার করুন

‎গাইবান্ধা জেলায় এখন পর্যন্ত ১৭২ জন ফিস্টুলা রোগী শনাক্ত হয়েছে। নারীদের জন্য অত্যন্ত কষ্টদায়ক এই রোগ প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় কাজ করছে আন্তর্জাতিক সংস্থা ল্যাম্ব ও ইউএনএফপিএ, যার সার্বিক সহযোগিতা করছে বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।
‎রোববার দুপুরে গাইবান্ধা শহরের একটি রেস্টুরেন্ট মিলনায়তনে সাংবাদিকদের অ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত হয়। ল্যাম্ব ও ইউএনএফপিএ আয়োজিত এ সভায় ফিস্টুলা বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানো, প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং বিদ্যমান রোগীদের দ্রুত চিকিৎসা প্রদানের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।
‎সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিশিষ্ট গাইনি বিশেষজ্ঞ ডা. তাহেরা আকতার মনি। তিনি বলেন,
‎ফিস্টুলা হলো মাসিকের রাস্তায় মূত্রথলী বা মলাশয়ের অস্বাভাবিক ছিদ্র হয়ে যুক্ত হওয়া। ফলে নারীর মাসিকের রাস্তায় দিয়ে সবসময় প্রস্রাব বা মল ঝরতে থাকে। এটি যন্ত্রণাদায়ক হলেও প্রতিরোধযোগ্য ও চিকিৎসাযোগ্য একটি রোগ।
‎তিনি আরও জানান-
‎বিলম্বিত ও বাধাগ্রস্থ প্রসব,
‎বাল্যবিবাহ ও কম বয়সে গর্ভধারণ,
‎অদক্ষ ধাত্রীর মাধ্যমে ডেলিভারি,
‎জরুরি প্রসূতি সেবার অভাব,
‎তলপেট বা জরায়ুর অপারেশনে জটিলতা
‎এসব কারণেই অধিকাংশ নারীর ফিস্টুলা দেখা দেয়।
‎ডা. মনি ফিস্টুলা প্রতিরোধে প্রসূতি সেবা নিশ্চিত করা এবং আক্রান্ত রোগীকে দ্রুত স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ার ওপর জোর দেন।
‎সভা উদ্বোধন করেন গাইবান্ধা প্রেসক্লাবের সভাপতি অমিতাভ দাশ হিমুন। বক্তব্য রাখেন ল্যাম্বের জেলা ফ্যাসিলিটেটর মো. শরিফুল ইসলাম শরিফ এবং গাইবান্ধা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইদ্রিসউজ্জামান মোনা।
‎আলোচনা সভায় জেলার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা অংশ নেন।
‎