কুমিল্লা বিভাগ বাস্তবায়নের দাবিতে ২ নভেম্বর রাজধানীর ধানমন্ডি ক্লাবে ৬ জেলার নেতৃবৃন্দের উপস্থিততে অনুষ্ঠিত হয় কুমিল্লা বিভাগীয় সমিতির সাধারণ সভা।
এডভোকেট ড. জমিরুল আকতারের সভাপতিত্বে উক্ত সাধারণ সভা সঞ্চালনা করেন কুমিল্লা বিভাগীয় সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবু ইউছুফ চৌধুরী রিপন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট লেখক ও গবেষক সরোয়ার ওয়াদুদ চৌধুরী।
আলোচনায় অংশ নেন ঢাকাস্হ বৃহত্তর লাকসাম সমিতির সদস্য সচিব এম এস দোহা, ইন্জিনিয়ার আবদুস সাত্তার রেজা, লায়ন শেখ ফরিদ উদ্দিন প্রধান, শাহজালাল, মুরাদ হোসেন, কাজী সাব্বির, গিয়াস উদ্দিন, খন্দকার শহীদুল হক, ইকবাল হোসেন, সাইফুর রহমান, মো: শাহজাহান, এড রফিকুল ইসলাম, সৈয়দা তাজ নাহার, এড নোমানুল হক, মোশাররফ মজুমদার, নাইমা জামান, নুর মোহাম্মদ বাচ্চু, সহিদুর রহমান, কাজী দীন মোহাম্মদ, আবুল হোসেন, মাসুদুল আলম, প্রকৌশলী মনির আহম্মদ, আরিফুল ইসলাম, মীর হোসেন ভূইয়া, সাজ্জাদ হোসেন চৌধুরী, আল মাকসুদ ফয়সাল, আশেক এলাহী শাহজাহান, আজিম উদ্দিন খন্দকার, সাইফুল ইসলাম, মিজানুর রহমান, নাদিরা বেগম হ্যাপী, জহিরুল হক মিন্টু, মাজাহারুল হক, স্হপতি মনিরুল ইসলাম, প্রফেসর কাজীম উদ্দিন, জাহাংগীর আলম, হারুন অর রশীদ, এম এ জামান, প্রফেসর জামাল উদ্দীন আহমেদ, রিদম, মাসুম মজুমদার প্রমূখ।
বক্তার বলেন, বিভাগ প্রতিষ্ঠার প্রশ্নে কুমিল্লা ও নোয়াখালী বাসীর মধ্যে কোন বিরোধ নাই। কুমিল্লা বিভাগ প্রতিষ্ঠার যাবতীয় বিষয় চুড়ান্ত হয়ে গেছে। নোয়াখালীবাসীর এব্যপারে আপত্তি নাই। কারন বিভাগ প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে কুমিল্লা দাবীটি অনেক পুরানো ও যৌক্তিক।
এখন নোয়াখালী বিভাগ প্রতিষ্ঠার দাবী উত্থাপিত হয়েছে। এবিষয়টি বিবেচনায় নেওয়ার জন্য সরকারের কাছে জোর দাবী জানায় কুমিল্লাবাসী। যা পরবর্তীতে বাস্তবায়িত হবে ইনশাআল্লাহ।
বক্তারা কুমিল্লার ইতিহাস, ঐতিহ্য ও বিভাগের যৌক্তিকতা তুলে ধরে আরো বলেন, কুমিল্লা শুধু একটি জেলা নয়, এটি একটি প্রাচীন জনপদ। শিক্ষা, সংস্কৃতি, অর্থনীতি ও মুক্তিযুদ্ধে কুমিল্লার অবদান অনস্বীকার্য।
অবিলম্বে ছয়টি জেলা — কুমিল্লা, নোয়াখালী, চাঁদপুর, ফেনী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও লক্ষ্মীপুর জেলা সমন্বয়ে কুমিল্লা বিভাগ বাস্তবায়নের জোর দাবি জানান।
সভা শেষে কুমিল্লা বিভাগ বাস্তবায়নের দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবে আলোচনা ও মানববন্ধন কর্মসূচির প্রস্তাব সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।






