ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে সাংবাদিক দ্বীন ইসলামকে নৃশংসভাবে হত্যার প্রতিবাদে রাজপথে নেমেছেন স্থানীয় সংবাদকর্মীরা। আজ বুধবার সকালে নবীনগর উপজেলা সদরের জেলা পরিষদ ডাক বাংলোর সামনে আয়োজিত এক বিশাল মানববন্ধনে সাংবাদিকরা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, কলম যোদ্ধাদের কণ্ঠরোধ করতে এই হত্যাকাণ্ড চালানো হয়েছে এবং এর বিচার না হওয়া পর্যন্ত তারা ঘরে ফিরবেন না।
মাদক সিন্ডিকেটের রোষানলে সাহসী দ্বীন ইসলাম মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, কসবার অনলাইন সংবাদমাধ্যম “তালাশ ক্রাইম দৃষ্টি”-এর নির্ভীক প্রতিবেদক দ্বীন ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে মাদক সিন্ডিকেট এবং স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের অনিয়ম নিয়ে কাজ করে আসছিলেন। তার ধারাবাহিক সাহসী প্রতিবেদনের কারণে একটি চিহ্নিত কুচক্রী মহল তাকে টার্গেট করে। হত্যার আগে তাকে দমাতে সাজানো ও মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হয়েছিল।শেষ পর্যন্ত তাকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে কুমিল্লার মুরাদনগরের একটি খালে ফেলে দেওয়া হয়।
উপস্থিত সাংবাদিকরা এই হত্যাকাণ্ডকে কেবল একজন ব্যক্তির হত্যা নয়, বরং পুরো সাংবাদিকতা পেশার ওপর নগ্ন আঘাত হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। মানববন্ধনে সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য দেন:জাবেদ আহমেদ জীবন, আব্দুল্লা আল মতিন, শাহিন রেজা টিটু, সোহেল খান, রোহান আহমেদ, আশরাফুল হক, ফজলে রাব্বি পাপ্পু, হাজী মো. কাউছার আহমেদ, আব্দুল্লা আল মামুন, শেখ মিহাদ, খলিল পরদেশী, লিটন মিয়া (মেম্বার), সালমান জমাদ্দার, সফিকুল ইসলাম শরীফ, মাজেদুল ইসলাম মন্টি ও সঞ্জয় শীলসহ নবীনগরের সর্বস্তরের সংবাদকর্মীরা।
“দ্বীন ইসলাম সত্যের পথে লড়ছিলেন। তাকে হত্যার মাধ্যমে সত্যকে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। খুনিরা যতই শক্তিশালী হোক, তাদের আইনের আওতায় না আনা পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে।”
মানববন্ধন থেকে প্রশাসনের প্রতি তিনটি সুস্পষ্ট দাবি জানানো হয়েছে: অনতিবিলম্বে শনাক্ত ও গ্রেফতার: হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী ও জড়িতদের দ্রুত সময়ের মধ্যে গ্রেফতার করতে হবে। কোনো প্রকার রাজনৈতিক বা প্রভাবশালী মহলের চাপ ছাড়াই ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করতে হবে।






