মালামাল সহ পুলিশের হাতে আটক
লোহাগাড়ায় ৮ লাখ ৮৩ হাজার ৫শ টাকার ফটোগ্রাফি সরঞ্জাম চুরির ঘটনা আড়াল করতে অপহরণের নাটক সাজানো সেই রেদুয়ানুল হককে (৩১) গ্রেপ্তার করেছে লোহাগাড়া থানা পুলিশ।
গত ২ রা নভেম্বর রাতে লোহাগাড়ার উপজেলাধীন পদুয়া ইউনিয়নের নাওঘাটা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তাঁর বসতঘর থেকে চুরি করা ক্যামেরা ও বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। ৩ রা নভেম্বর মঙ্গলবার লোহাগাড়া থানা কনফারেন্স হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাতকানিয়া সার্কেল) মো. আরিফুল ইসলাম সিদ্দিকী।
এসময় লোহাগাড়া থানার ওসি মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ,ওসি তদন্ত প্রশান্ত কুমার ভৌমিক, এসআই নুর আজাদ ও স্থানীয় প্রিন্ট এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় কর্মরত গনমাধ্যেম কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায় গত ৯ অক্টোবর রাতে লোহাগাড়া মোস্তফা সিটি মার্কেটের ‘ওয়েডিং ফটোগ্রাফি’ দোকানের তালা ভেঙে তিনটি Sony α7III, একটি Sony α7C ক্যামেরা, লেন্স, ব্যাটারি ও চার্জারসহ মোট ৮ লাখ ৮৩ হাজার ৫শ টাকার সরঞ্জাম চুরি হয়। পরদিন সকালে দোকানের মালিক বাবলু পাল (৩৭) চুরির বিষয়টি বুঝতে পেরে থানায় অভিযোগ করেন। চুরির ঘটনার দুই দিন পর ১২ অক্টোবর রেদুয়ানুল হকের স্ত্রী রেশমী আক্তার তাঁর স্বামীকে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা অপহরণ করেছে মর্মে থানায় অভিযোগ করেন। দুটি অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নামে লোহাগাড়া থানা পুলিশ। তদন্তের এক পর্যায়ে দোকান ও আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে চুরির ঘটনায় রেদুয়ানুল হকের সম্পৃক্ততা সত্যতা পাওয়া যায় । পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃত মোঃ রেদুয়ানুল হক চুরির ঘটনায় নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেন এবং চুরির ঘটনাকে আড়াল করে তদন্ত ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার উদ্দেশ্যে নিজেই আত্মগোপনে থেকে তার স্ত্রীকে দিয়ে অপহরণের অভিযোগ দায়ের করানোর বিষয়টিও স্বীকার করেন।
এ ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত রেদুয়ানুল হকের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে এবং তাকে চট্টগ্রাম আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।







