৫৪ নং পুরানা পল্টন ওয়াকফা এস্টেটের অবৈধ মোতয়াল্লী ও দখলদারদের বিরুদ্ধে রিপোর্ট করার দায়ে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের ও হাবলার প্রতিবাদে গত ০৭/০৬/২০২৬ ইং রোজ রবিবার দুপুর ১২:৫০ মিনিটে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এবং বিস্তারিত তথ্য ও ঘটনাবলি ঢাকা প্রেসক্লাবের সভাপতি সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক বক্তব্য তুলে ধরেছেন। এখানে বাংলাদেশের সকল গণমাধ্যম নির্বাচিত সরকার সকল আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সরকারি প্রতিষ্ঠান এর প্রশাসকদের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এখানে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের একটি প্রতিষ্ঠান ৫৪ নং পুরানা পল্টন ডাঃ এম, এস, আলী ওয়াকফা এস্টেট সম্পূর্ণভাবে বেহাত হয়ে যাওয়ায় ও বৈধ দোকানদারদের মোতয়াল্লী ও ফ্যাসিস্ট এর দোসর দখলদাররা কোর্টের আদেশ অমান্য করিয়া লুটপাট ভাঙচুর করে দখল বাণিজ্য আজও বাজায় রেখে চলেছে। ক্ষমতার পট পরিবর্তনের পর প্রায় ২ মাস পালাইয়া থাকিয়া পুনরায় বীর দর্পে ওয়াকফা এস্টেটের কিছু কর্মকর্তা কর্মচারী সাথে মিলিত হইয়া নজরুল ইসলাম, রোমেল, নাছরীন, নুরজাহান, গনি, মনিরুল ইসলাম, মারুফ, জাকির হোসেন লিটু সহ আরো ৭-৮ জন মুখোশধারী দখলদাররা ও সংবাদদাতা সাংবাদিকদের ওপর বালু নিক্ষেপ করা ফুটপাতের অবৈধ ডলার ব্যবসায়ী মোঃ শহীদ মিলিত হইয়া দখল বাণিজ্য ও সাংবাদিকদের উপর হামলা করেছে। নামে এই নজরুলের নামে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মামলা হয় তা জানিনা আছেন। লিটুর নামে একটি মামলা আছে সাংবাদিকরা ৫৪ নং পুরানা পল্টনের জমির উপর রিপোর্ট করায় সাংবাদিকদের উপর এই কার্যক্রম করিয়াছে। এবং অদ্যবধি জীবননাশের হুমকি দিতেছে। আমরা অন্যায়ের বিরুদ্ধে রিপোর্ট করতেই থাকবো ভয়কে জয় করে। দখলকারীরা ১০/০৫/২০২৬ ইং তারিখে ওয়াল্টন থানায় অভিযোগ দায়ের করিলে জাতীর আস্থার প্রতিক পল্টন থানার কর্তৃপক্ষ তদন্তের কথা বলিলে তাহারা থানা কর্তৃপক্ষকে ছোট করিয়া আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল না হইয়া মহামান্য আদালতে মিথ্যা মামলা দায়ের করিয়াছেন এবং পুনরায় থানা কর্তৃপক্ষকে কি আদেশ দিয়াছেন তাহা কোর্ট ও থানা কর্তৃপক্ষই জানে। আইনের প্রতি সম্মান জানিয়ে পল্টন থানার অফিসার ইনচার্জ ও্যতদন্ত দারোগা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দৃষ্টান্ত স্থাপন করিবেন। আমরা আইনকে সম্মান ও শ্রদ্ধা করি তাই সকল কাগজপত্র সংবাদ সম্প্রচার ওয়াফা প্রশাসক বরাবর প্রতিবেদন ৩ বার, দুদক চেয়ারম্যান বরাবরে দুইবার, দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন প্রশাসক বরাবর ১ বার, তিতাস গ্যাস এম. ডি বরাবর একবার ও অন্যান্য সংস্থায় প্রতিবেদন কপি যাচাই বাছাই করিয়া সুষ্ঠু তদন্ত রিপোর্ট মহামান্য আদালতে প্রেরণ করিবেন। মিথ্যা মামলা কারীদের অবস্থান বৈধ কাগজ ও নিশাদ আহমেদ ও ঢাকা প্রেসক্লাব হইতে বিপক্ষের কাগজপত্র প্রমাণাদি নিয়া পড়িয়া শুনিয়া জানিয়া ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন। পক্ষান্তরে সমঝোতা না হইলে বিল্ডিংটির সকল দোকানপাট বন্ধ করিয়া পুলিশ রিসিভার কমিটি দখল মিয়া ওয়াকফা প্রশাসক ধর্ম মন্ত্রণালয় ঢাকা জেলা প্রশাসকের সমন্বয়ে বুঝিয়ে দেওয়া হোক। দখলকারীরা গত ১০/০৫/২০২৬ ইং মামলা করিয়াছেন, সাংবাদিকরা প্রমাণপত্র সহ ২৯-০৪-২৬ ইং পল্টন থানা অফিসার ইনচার্জ বরাবর অভিযোগ দায়ের করিয়াছেন ও ঢাকা প্রেসক্লাব আদালতে ১টি মামলা করিয়াছে। আরো মামলার অপেক্ষায়। অনতিবিলম্বে নজরুল ও গংদের গ্রেফতার করিয়া আদালতে প্রেরণ করা হোক। আমরা বৈধ কাগজপত্র দাখিল করিব।





