ইউসুফ আলী প্রধান: সারাদেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ সংকটে সাধারণ মানুষ ও পরিবহন চালকদের মধ্যে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। রাজধানীসহ বিভিন্ন জেলার ফিলিং স্টেশনগুলোতে তেলের জন্য দেখা যাচ্ছে দীর্ঘ সারি। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও চাহিদামতো তেল না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন চালকরা।
তেজগাঁও ট্রাকস্টান্ড দেখা গেছে, তেল না পেয়ে অনেক ট্রাক অলস বসে আছে। চালকদের দাবি, পাম্প মালিকরা তেল থাকলেও তা ছাড়ছেন না।
আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়ার গুঞ্জনে অনেকেই প্রয়োজনের অতিরিক্ত তেল সংগ্রহ করছেন, যাকে বিশেষজ্ঞরা ‘প্যানিক বায়িং’ হিসেবে চিহ্নিত করছেন।
জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, দেশে বর্তমানে প্রায় ১ লাখ ৯৩ হাজার টন জ্বালানি তেল মজুত আছে, যা দিয়ে এ মাস অনায়াসেই পার করা সম্ভব। এছাড়া এপ্রিলেই বিদেশ থেকে আরও বিপুল পরিমাণ তেল দেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। সরকার পরিষ্কার জানিয়েছে, চলতি মাসে তেলের দাম বাড়ছে না (ডিজেল ১০০ টাকা, অকটেন ১২০ টাকা)।
কৃত্রিম সংকট তৈরি ও অবৈধ মজুত ঠেকাতে সারাদেশে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে। গত এক মাসেই প্রায় ৩.৭২ লাখ লিটার অবৈধ তেল উদ্ধার করেছে জ্বালানি বিভাগ।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষকে গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। তেলের সরবরাহ লাইনে কোনো সমস্যা নেই, শুধুমাত্র আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত কেনাকাটাই সংকটের মূল কারণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।







