, ,

​‘সুস্থ আগামীর জন্য আয়ুর্বেদ’ প্রতিপাদ্যে হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশে বিশ্ব আয়ুর্বেদ দিবস উদযাপিত

নিউজটি শেয়ার করুন

“Ayurveda for a Healthier Tomorrow”—এই তাৎপর্যপূর্ণ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বিশ্ব আয়ুর্বেদ দিবস ২০২৬ উদযাপন করেছে হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ। বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক মেডিসিন অনুষদের উদ্যোগে আয়োজিত এই সেমিনারটি দেশের ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসাবিজ্ঞানের প্রসার ও আধুনিক স্বাস্থ্যসেবায় এর সম্ভাবনার এক গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়।
​২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ডরুমে আয়োজিত এই সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক মো. মনজুরুল আলম, পিএইচডি, এমআইইইই। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়ুর্বেদিক মেডিসিন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ডা. মো. বাবুল আক্তার। সভার শুরুতে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার জনাব মো. জুবাইর-আরেফীন। এ ছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউনানী মেডিসিন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ডা. খায়রুল আলম।
​সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন আয়ুর্বেদিক মেডিসিন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. মনির আহমেদ। তিনি তার উপস্থাপনায় আয়ুর্বেদের গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহ্য, মৌলিক দর্শন, সমসাময়িক স্বাস্থ্যব্যবস্থায় এর প্রাসঙ্গিকতা এবং ভবিষ্যৎ স্বাস্থ্যসেবায় এর সম্ভাবনাময় নানা দিক তুলে ধরেন।
​অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে অনুষ্ঠিত প্যানেল আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন আয়ুর্বেদিক মেডিসিন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. মাসুম বিল্লাহ এবং প্রভাষক ডা. সালমা গোফরান। তারা আয়ুর্বেদের ঐতিহাসিক জ্ঞানভিত্তি, আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের সঙ্গে এর সমন্বয়ের সম্ভাবনা এবং একটি সুস্থ, সচেতন ও টেকসই ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে আয়ুর্বেদিক চিকিৎসার ভূমিকা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিশ্লেষণ উপস্থাপন করেন।
​সেমিনারে আরও বক্তব্য রাখেন বিজ্ঞান, প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. জহিরুল হক মুন্সী, কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আমানউদ্দিন মুজাহিদ, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মো. জাহিদুল ইসলাম এবং হামদর্দ জেনারেল হাসপাতালের পরিচালক ডা. আশফাকুর রহমান। বক্তারা স্বাস্থ্যসেবায় ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসাপদ্ধতির অপরিহার্যতা, মানসম্মত গবেষণা এবং শিক্ষার্থীদের প্রমাণভিত্তিক জ্ঞানচর্চায় সম্পৃক্ত করার ওপর বিশেষ জোর দেন।
​বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক মেডিসিন অনুষদের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে সেমিনারটি এক প্রাণবন্ত মতবিনিময় সভায় রূপ নেয়। আয়োজকদের প্রত্যাশা, বিশ্ব আয়ুর্বেদ দিবসের এই আয়োজন আয়ুর্বেদিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের ঐতিহ্য ও আধুনিক গবেষণার মাঝে একটি কার্যকর সেতুবন্ধন তৈরি করবে এবং সচেতন সমাজ গঠনে অগ্রণী ভূমিকা রাখবে