সিনিয়র সাংবাদিক ও দৈনিক স্বদেশ বিচিত্রা’র উপদেষ্টা সম্পাদক কাজী ফারুকের বিরুদ্ধে মুগদা থানার দালাল ইকবাল হোসেনের করা মামলা পিবিআই (বনশ্রী অফিস) এর তদন্তে মিথ্যা প্রমানিত হয়েছে ( সি আর মামলা নং ১৫৯/২৬।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায় বাদী ইকবাল হোসেন গত ১৫ জুন ২০২৬ তারিখে মামলাটি বিজ্ঞ আদালতে করেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পিবিআই (বনশ্রী) পুলিশ সুপারকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। মামলাটি তদন্তের জন্য ইন্সপেক্টর নুর নবী কে তদন্তের দায়িত্ব দেন। তদন্ত কর্মকর্তা বাদি, সাক্ষীদের জবানবন্দী লিপিবদ্ধ করেন। ১৬১ ও করেন। সূত্র জানায় বাদী উল্লেখ করেন আসামী কাজী জায়েদ মোহাম্মদ গোলাম ফারুক নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে এবং মিথ্যা মামলার ভয় দেখিয়ে বাদী ও সাক্ষী গণের নিকট থেকে গত ৫ জুন ২৬ তারিখ বিকাল ৫ ঘটিকায় আসামী কাজী ফারুক দুই লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করেন। উক্ত মামলার সাক্ষীগণ । ১:মোঃ মোকলেছ, ২।খোরশেদ আলম ৩।সুরেন দাস, ৪। জিয়াদ হোসেন, ৫। লাল মিয়া। ৬।রেজাউল করিম, ৭।মোস্তফা, ৮। বেলাম। বাদী ও সাক্ষীগণ মুগদা থানায় কাজী ফারুকের করা মামলার আসামী। মুগদা থানার মামলা নং:১১, তারিখ ১৩ এপ্রিল ২০২৬। অর্থাৎ কাজী ফারুকের মামলার আসামিরা মিলে বাদী ও অন্যরা সাক্ষী হয়ে মিথ্যা মামলাটি করেছে। ২ লক্ষ্য টাকা ছাড়াও ও কাজী ফারুক আরো নগদ ৫০০০০ টাকা নিয়েছে।
মামলাটি তদন্ত কর্মকর্তা ইন্সপেক্টর নুর নবী প্রকাশ্যে ও গোপনে তদন্ত করেন। তদন্তে সাংবাদিক কাজী ফারুক এর বিরুদ্ধে করা মামলাটি মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। কাজী ফারুক একজন সাংবাদিক সে তথ্য ও তদন্তে উঠে এসেছে
মামলাটির তদন্ত তদারকি করেন পিবিআই’র পুলিশ সুপার তানজিনা আক্তার ।







