, ,

সাংবাদিক কাজী ফারুক হত্যা চেষ্টা মামলাঃ পুলিশের পর এবার পিবিআইও ষড়যন্ত্রে লিপ্ত!

নিউজটি শেয়ার করুন

সিনিয়র সাংবাদিক ও দৈনিক স্বদেশ পত্রিকার উপদেষ্টা সম্পাদক কাজী ফারুক হত্যা চেষ্টা মামলা তদন্তে এবার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই কাওছার ভয়ানক ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। ডিএমপি’র মুগদা থানার এসআই আবদুল মোমেন ও তদন্ত কর্মকর্তা সাংবাদিক কাজী ফারুক হত্যা চেষ্টা মামলা তদন্ত শেষে এফআরটি দাখিল করেন এবং বাদীর সাজা চান। সিএমএম আদালত দীর্ঘ শুনানী শেষে এফআরটি গ্রহন না করে মামলাটি মুগদা থানার মামলা নং ১১ ( ৪ ) ২০২৬ পিবিআই কে তদন্তের নির্দেশ দেন। গত ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে মামলাটির শুনানী হয়। অভিযোগ উঠে মুগদা থানার এসআই আব্দুল মোমেন আসামীদের সাথে সখ্যতা গড়ে তোলেন এবং মোটা অংকের ঘুষ নেন। মুগদা থানার ওসি আহসান উল্যাহ এফআরটি অগ্রবর্তী করেন। গুরুত্বপূর্ণ আলামত সিসি ফুটেজ জেনেশুনে দেখেননি। সত্য ঘটনায় এফআরটি দেয়ায় মুগদার মানুষ অসন্তুষ্ট। এসআই মোমেন ও রায়হানের বিরুদ্ধে আইজিপি বরাবর অভিযোগ দেয়া হয়েছে। তদন্ত চলছে। ইতিমধ্যে নেপথ্য নায়ক সেকেন্ড অফিসার এসআই আতিক কে বদলী করা হয়েছে।
সূত্র জানায়, গত ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই এর এসআই কাওছার মামলার বাদী কাজী ফারুক কে রাত আট টায় পিবিআই অফিসে তলব করেন। তখন পিবিআই অফিসে তেমন কোনো লোক ছিলোনা। তিনি কাজী ফারুকের সাথে কথা না বলে রহস্যজনক ভাবে এদিক ও দিক যান। কিছু সময় অপেক্ষা কারে কাজী ফারুক চলে আসেন। গতকাল ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখ বিকেলে এসআই কাওছার কাজী ফারুক আপনাকে ডিআইজি সাহেব ডেকেছেন। কাজী ফারুক বলেন, ” ডিআইজি সাহেব তো ধানমন্ডি বসে, এসআই কাওছার বলেন উনিও ডিআইজি। ” এসআই কাওছারের কথাবার্তা, কর্মকান্ড পুরোটাই রহস্যজনক। তার এহেন কাজে কাজী ফারাক ষড়যন্ত্র দেখছেন। মুগদা থানার এস আই মোমেনের ষড়যন্ত্র প্রমানিত হয়েছে। এসআই কাওছারের ষড়যন্ত্র উন্মোচনে আরো অপেক্ষা করতে হবে। তার কর্মকান্ড গভীর ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। তার বিরুদ্ধেও আইজিপি বরাবর অভিযোগ দাখিলের বিষয় ভাবা হচ্ছে।