মোঃ মোসলেম উদ্দিন সিরাজী
স্টাফ রিপোর্টার, সিরাজগঞ্জ: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার ১ নং কায়েমপুর ইউনিয়নের আজিমপুর (চরপাড়া) এলাকায় অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে রেকর্ডীয় জমি জোরপূর্বক দখল করে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে আপন মামা ও মামাতো ভাইয়ের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী ভাগিনা সুবিচার ও নিজের নিরাপত্তা চেয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মশিপুর গ্রামের ভুক্তভোগী (সরোয়ারদী গং) ভাগিনার নামে থাকা রেকর্ডীয় জমি দীর্ঘদিন ধরে তিনি নিজ ভোগদখলে রেখে আসছিলেন। কিন্তু সম্প্রতি তার আপন মামা ও মামাতো ভাই উক্ত জমি বেআইনিভাবে নিজেদের দাবি করে দখলের অপচেষ্টা শুরু করেছেন। ভুক্তভোগীর অভিযোগ অনুযায়ী,গত কয়েকদিন আগে অভিযুক্ত মামা ও মামাতো ভাই ও বেশ কয়েকজন ভাড়াটে লোক নিয়ে ওই জমিতে অনধিকার প্রবেশ করার চেষ্টা করেন। এই সময়ে ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের সদস্যরা বাধা দিতে গেলে তাদের গালিগালাজ করা হয় এবং মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে তাড়িয়ে দেওয়া হয়। ভুক্তভোগী ভাগিনা কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “আমার মায়ের নিকট থেকে হেবা দলিলের মাধ্যমে পাওয়া আজিমপুর গ্রামের ও ১ নং কায়েমপুর মৌজায় ৪০ শতাংশ জমি দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছিলেন। জমিটি ভুক্তভোগীর বাড়ি থেকে ৫ কিলোমিটার দূরে এবং মামা বাড়ি সংলগ্ন হওয়ায় মামাদের এই জমিটা কেড়ে নেওয়াই উদ্দেশ্য। প্রতিবাদ করতে গেলে ভুক্তভোগী ও তার পরিবারকে হত্যাসহ এলাকা ছাড়া করার হুমকি দিচ্ছে। ভুক্তভোগী প্রশাসনের কাছে তার জমি উদ্ধার ও পরিবারের নিরাপত্তার জোর দাবি জানিয়েছেন। “এলাকাবাসী জানিয়েছেন, বিরোধপূর্ণ জমিটি দীর্ঘদিন ধরে ভাগিনাদের (সরোয়ারদী গং) ভোগদখলেই ছিলো। কিন্তু সম্প্রতি মামা ও মামাতো ভাই হঠাৎ বল প্রয়োগ করে জমিটি দখলে নেওয়ায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। শান্তিপূর্ণ সমাধানের লক্ষ্যে ভুক্তভোগীরা দ্রুত স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন। এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন,”জমি সংক্রান্ত বিবাদের বিষয়ে ভুক্তভোগীর নিকট থেকে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পুলিশ পাঠানো হয়েছিলো। এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। “উল্লেখ্য যে,এই জমিতে অদ্য সোমবার ১৯ অক্টোবর ২০২৬ সকালে জমির মালিক (সরোয়ারদী গং) এলাকার সোলায়মান,পল্লী ডাক্তার আব্দুল মান্নান,রফিকুল, হোসেন প্রমুখ এর উপস্থিতিতে হাল চাষ করে জমিতে ঘাসের বীজ বপন করেছেন, ৫০ টি গাছের চারা লাগিয়েছেন এবং জমির পশ্চিম পাশে একটি ঘর তুলেছেন। এই হাল চাষের সময়ে ভুক্তভোগীর মামা ও মামাতো ভাই এই জমি সংলগ্নে বাড়ি হওয়া সত্বেও কেহই কোনো অভিযোগ বা বাধা প্রদান করতে আসেননি।







