সিটি কর্পোরেশন অথবা পৌরসভার নিয়ন্ত্রাধীন এলাকায় পাকা ইমারত করতে হলে উক্ত জায়গার নামজারি পর্চা, দলিল, পৌরকর পরিশোধের অনুলিপি ও আনুষঙ্গিক কাগজপত্র সহ একটি নির্দিষ্ট পরিমান ফি জমা দিয়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট আবেদন করার মধ্য দিয়ে কর্তৃপক্ষের অনুমোদন মিললেই কেবল ইমারত করার বৈধতা প্রাপ্তি হয়। এই প্রতিবেদকের অনুসন্ধান মতে মৃত ভূপেশ চন্দ্র শর্মার সন্তান পল্লব কুমার শর্মার ৪২৭, গোডাউন রোডের বসবাসরত বাড়িটি কেবলমাত্র আবেদনের কাগজপত্র জমা দিয়ে অনুমোদনের অপেক্ষা না করে বাড়িটির নির্মান কাজ শেষ করে বসবাস করা শুরু করেন যা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং তার এই পদক্ষেপ অন্যান্য পৌরবাসীদের ও আইন অমান্য করে ভবন নির্মাণে উৎসাহিত করবে। প্রসঙ্গত পল্লব কুমার শর্মা ২০২৩ সালেই চারতলা ভবনটির নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করে পরিবারপরিজন নিয়ে বসবাস করে আসছেন। বাড়িটি চারতলা হলেও পৌরকর্তৃপক্ষের নিকট মাত্র দুই তলার অনুমোদনের জন্য আবেদন করা হয়। পল্লব কুমার শর্মার আইন কে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে চারতলা অবৈধ ভবন নির্মানের জন্য কার্যকরী পদক্ষেপ নেবার জন্য গোপালগঞ্জ পৌরসভার প্রশাসক বিশ্বজিৎ কুমার পালের সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করা হচ্ছে।






