রাজধানীর রমনায় আইইবি সদর দপ্তরের শহীদ প্রকৌশলী ভবনের কাউন্সিল হলে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন,
উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ ও ডিপিপি প্রণয়নে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা, টেকসই উন্নয়ন এবং প্রকৌশলগত বাস্তবতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। পরিকল্পনা কমিশনে প্রকৌশলীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি বলেন, দেশের অবকাঠামো, শিল্পায়ন, বিদ্যুৎ, যোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রকৌশলীদের অবদান অপরিসীম হলেও অনেক সময় তাদের সাফল্যের চেয়ে ব্যর্থতার ঘটনাই বেশি আলোচিত হয়। প্রকৌশল-সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোতে প্রকৌশলীদের নিয়োগ নিশ্চিত করা হলে উন্নয়ন প্রকল্পের গুণগত মান ও সরকারি অর্থের সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত হবে।
বিশেষ অতিথি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইকবাল বলেন, শিল্পখাত ও একাডেমিয়ার সমন্বয় জোরদার করতে পারলে গবেষণা, প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং টেকসই উন্নয়ন আরও এগিয়ে যাবে।
স্বাগত বক্তব্যে আইইবির সম্মানী সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী মো. সাব্বির মোস্তফা খান ভূমিকম্প সহনশীল ভবন নির্মাণ, আধুনিক পানি সরবরাহ ব্যবস্থা এবং ভবিষ্যৎ চাহিদা বিবেচনায় চার লেন সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রকৌশলী মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম (খোকা)। সভাপতিত্ব করেন প্রকৌশলী মো. আয়নুল কবির এবং সঞ্চালনা করেন প্রকৌশলী নেসার উদ্দিন।
অনুষ্ঠানে আইইবির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন প্রকৌশল সংস্থার প্রতিনিধি, শিক্ষাবিদ ও বিপুলসংখ্যক প্রকৌশলী উপস্থিত ছিলেন






