, ,

কেশবপুরে ১০১ মন্দিরে শারদীয় দুর্গাপূজার আয়োজন

নিউজটি শেয়ার করুন

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। শুভ মহালয়ার মধ্য দিয়ে দেবী দুর্গার আগমনী বার্তা পৌঁছে যাবে প্রতিটি সনাতন ধর্মাবলম্বীর ঘরে। এ বছর দেবী দুর্গার আগমন হবে ঘোড়ায় এবং গমন হবে নৌকায়। আগামী ১৬ অক্টোবর মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে শুরু হবে দেবীর আরাধনা। সবশেষে ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমীর মধ্য দিয়ে শেষ হবে পাঁচ দিনব্যাপী শারদীয় দুর্গোৎসব।

এ বছর যশোরের কেশবপুর উপজেলায় পৌরসভাসহ ১১টি ইউনিয়নের মোট ১০১টি মন্দিরে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে কেশবপুর পৌরসভায় ৮টি, ১ নম্বর ত্রিমোহিনী ইউনিয়নে ১টি, ২ নম্বর সাগরদাঁড়ি ইউনিয়নে ১৬টি, ৩ নম্বর মজিদপুর ইউনিয়নে ৭টি, ৪ নম্বর বিদ্যানন্দকাটি ইউনিয়নে ৪টি, ৫ নম্বর মঙ্গলকোট ইউনিয়নে ৬টি, ৬ নম্বর কেশবপুর সদর ইউনিয়নে ৭টি, ৭ নম্বর পাঁজিয়া ইউনিয়নে ৯টি, ৮ নম্বর সুফলাকাটি ইউনিয়নে ১১টি, ৯ নম্বর গৌরিঘোনা ইউনিয়নে ১২টি, ১০ নম্বর সাতবাড়িয়া ইউনিয়নে ১২টি এবং ১১ নম্বর হাসানপুর ইউনিয়নে ৮টি মন্দিরে দুর্গাপূজার আয়োজন করা হয়েছে।

বিভিন্ন পূজামণ্ডপে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রতিমা তৈরির কাজ এখন শেষ পর্যায়ে। প্রতিমাশিল্পীরা দিন-রাত একাগ্রতার সঙ্গে কাজ করে চলেছেন। তাদের নিপুণ হাতের ছোঁয়ায় ধীরে ধীরে পূর্ণাঙ্গ রূপ পাচ্ছে দেবী দুর্গা ও অন্যান্য প্রতিমা। কোথাও চলছে মাটির কাজ, আবার কোথাও প্রতিমায় রং করার প্রস্তুতি চলছে।

বগা সার্বজনীন পূজা মন্দির কমিটির সভাপতি দীপংকর চৌধুরী সঞ্জয় বলেন, “আমাদের মন্দিরে প্রতিমা তৈরির কাজ প্রায় শেষের দিকে। শিগগিরই প্রতিমায় বিভিন্ন রঙের কাজ শুরু হবে।”

কাকিলাখালি সার্বজনীন মন্দির ও পাঠাগারের সাধারণ সম্পাদক শুভময় দাস বলেন, “এবার আমরা আড়ম্বরপূর্ণভাবে শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপনের প্রস্তুতি নিচ্ছি। আগামী তিন-চার দিনের মধ্যে প্রতিমা তৈরির কাজ শেষ হবে বলে আশা করছি।”

বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, কেশবপুর উপজেলা শাখার সভাপতি দুলাল সাহার সঙ্গে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন, “এবার কেশবপুর উপজেলায় ১০১টি মন্দিরে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ইতোমধ্যে আমরা বিভিন্ন মন্দিরের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে যোগাযোগ করে সার্বিক বিষয় সম্পর্কে খোঁজখবর নিয়েছি। এছাড়া ১১টি ইউনিয়নের পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ নিজ নিজ এলাকার মন্দিরগুলো তদারকি করছেন।”

শারদীয় দুর্গোৎসবকে ঘিরে উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপে এখন চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। প্রতিমা তৈরির পাশাপাশি মণ্ডপ সাজসজ্জা, আলোকসজ্জা ও অন্যান্য প্রস্তুতিও এগিয়ে চলছে। উৎসবকে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপনের জন্য সংশ্লিষ্টরা প্রস্তুতি নিচ্ছেন।