গত ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ শুক্রবার বিকেল ৪:৩০ মিনিটে ঢাকাস্থ বাংলাদেশ শিশু কল্যাণ পরিষদ মিলনায়তনে কেন্দ্রীয় খেলাঘর আসর বাঙালি জাতিস্বত্বার তিন দিকপাল বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম এবং সাম্য ও দ্রোহের কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের যৌথ জন্ম জয়ন্তী উদযাপন করেছে। অনুষ্ঠানে ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন শাখা আসরের ভাই বোন সহ খেলাঘরের কর্মী সংগঠক সুহৃদ শুভানুধ্যায়ীরা অংশ গ্রহন করেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন খেলাঘর চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) বীর মুক্তিযোদ্ধা ডাঃ মাখদুমা নার্গিস রত্না।
রবীন্দ্রনাথ কে নিয়ে আলোচনা করেন বরেণ্য লেখক ও শিশু সাহিত্যিক মনি হায়দার। কাজী নজরুল কে নিয়ে আলোচনা করেন বাংলা একাডেমির পরিচালক ও গবেষক ড. তপন বাগচী এবং সুকান্ত ভট্টাচার্যের উপর আলোচনা করেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ডঃ শামীম রেজা।
শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন খেলাঘর কেন্দ্রীয় সভাপতিমন্ডলীর সদস্য অধ্যাপক নিরঞ্জন অধিকারী ও খেলাঘর জাতীয় পরিষদ সদস্য, বাংলা একাডেমির পরিচালক ডঃ শাহাদাত হোসেন নিপু। স্বাগত বক্তব্য দেন খেলাঘর সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক প্রণয় সাহা। উপস্থিত ছিলেন খেলাঘর সভাপতিমন্ডলীর সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা শফিকুর রহমান শহীদ, অধ্যক্ষ শরীফ উদ্দিন, নাজমুল আহসান অপু, হান্নান চৌধুরী, ওসমান গণি, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য প্রকৌশলী অমল নাগ, মামুন মোর্শেদ, সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য প্রবীর সাহা, নসরু কামাল খান, অশোকেশ রায়, শিল্পী রহমান, হাফিজুর রহমান মিন্টু, আব্দুল মান্নান, গোবিন্দ বাগচী, রাজন ভট্টাচার্য প্রমূখ।
অনুষ্ঠান পরিকল্পনায় ছিলেন কেন্দ্রীয় সাংস্কৃতিক বিভাগের প্রধান অনিকেত আচার্য এবং জাতীয় পরিষদ সদস্য শিল্পী সাহা। পুরো অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন কেন্দ্রীয় সহ সাধারণ সম্পাদক এড. সুনীল সরকার ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য বাচিক শিল্পী সুবর্ণা আরফিন। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করে ঢাকা মহানগরীর ভাবুক, সোনা মণি, লাল সবুজ, ধ্রুবতারা, চন্দ্রালোক, বটমূল, অর্ণব, নোঙর ও শ্যামলছায়া এবং গাজীপুরের ক্ষণিকা খেলাঘর আসরের ভাই বোনেরা।
মাতৃভাষা ও বাঙালি সংস্কৃতির অবক্ষয় রুখে দিয়ে জাতীয়তাবোধের ভিত্তিতে সৃজনশীলতা, শিল্প-সাহিত্য, ইতিহাস-ঐতিহ্য এবং জাতীয় গৌরবকে সমুন্নত রেখে কোটি কোটি শিশু-কিশোরদের কুসংস্কামুক্ত, বিজ্ঞানমনস্ক, দেশপ্রেমিক এবং অসাম্প্রদায়িক চেতনায় সমৃদ্ধ করে তুলতে রবীন্দ্র-নজরুল- সুকান্তের কাছে বার বার বাঙালির ফিরে যাওয়ার কোন বিকল্প নেই বলে অনুষ্ঠানের বক্তারা মত প্রকাশ করেন। বক্তারা কেন্দ্রীয় খেলাঘর আসরের প্রতি নতুন প্রজন্মের কোটি কোটি শিশু-কিশোরদের মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় গড়ে তোলার চলমান কর্মসূচি গুলোকে আরো বেগবান করার আহ্বান রাখেন।







