, ,

আইনজীবী হওয়ার বয়সসীমা ৩৫ বছর: যোগ্যতার চেয়ে বয়স বড় হয়ে উঠবে কেন?

নিউজটি শেয়ার করুন

মু. নজরুল ইসলাম তামিজী: আইন পেশা কেবল জীবিকা অর্জনের মাধ্যম নয়; এটি ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা, মানবাধিকার সুরক্ষা এবং আইনের শাসন নিশ্চিত করার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। একজন আইনজীবী মানুষের অধিকার রক্ষায় আদালতে দাঁড়ান, অন্যায়ের বিরুদ্ধে আইনি প্রতিকার খুঁজে দেন এবং বিচারব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থা প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখেন। তাই এ পেশায় যোগ্যতা, দক্ষতা, সততা ও নৈতিকতার সর্বোচ্চ মান নিশ্চিত করা জরুরি। কিন্তু আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হওয়ার সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩৫ বছর নির্ধারণের উদ্যোগ সেই মানোন্নয়নের যথাযথ পথ কি না, তা নিয়ে গভীরভাবে ভাবার অবকাশ রয়েছে।

প্রথম আলোয় ১৩ অক্টোবর প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী, বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ও অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল জানিয়েছেন, আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩৫ বছর নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং তা ২০৩০ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, আইন পেশার মর্যাদা ও দক্ষতা বৃদ্ধি এই উদ্যোগের অন্যতম উদ্দেশ্য। তবে ১৫ অক্টোবর বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান জয়নুল আবেদীন এ বিষয়ে কাউন্সিলের কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে দাবি করেছেন। ফলে বিষয়টির প্রকৃত প্রশাসনিক ও আইনগত অবস্থান স্পষ্ট করা জরুরি। (সূত্র: প্রথম আলো, ১৩ অক্টোবর ২০২৬; জাগো নিউজ, ১৫ অক্টোবর ২০২৬।)

এই বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছে একটি মৌলিক প্রশ্ন: আইন পেশায় প্রবেশের ক্ষেত্রে প্রধান বিবেচ্য হবে বয়স, নাকি যোগ্যতা?

বয়স কি দক্ষতার মাপকাঠি?

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ডিন ও বিশিষ্ট আইন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ এ বিষয়ে বলেছেন, আইন পেশায় বয়সসীমা নির্ধারণের সিদ্ধান্তটি তাঁর কাছে খুব একটা যৌক্তিক মনে হয়নি। সিদ্ধান্ত গ্রহণকারীদের নিজস্ব যুক্তি থাকতে পারে, তবে তাঁর বিবেচনায় বিষয়টি বস্তুনিষ্ঠ চিন্তার পরিবর্তে ব্যক্তিনির্ভর চিন্তা থেকে করা হয়েছে। আইন পেশা যেহেতু স্বাধীন পেশা, তাই বয়সসীমা আরোপ না করে প্রবেশের সুযোগ উন্মুক্ত রাখাই ভালো।

তাঁর বক্তব্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত প্রশ্ন উঠে এসেছে। কোনো সিদ্ধান্তের উদ্দেশ্য ভালো হলেই সেটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে যৌক্তিক হয়ে যায় না। সিদ্ধান্তটি যে সমস্যার সমাধান করতে চায়, তার সঙ্গে গৃহীত ব্যবস্থার বাস্তব সম্পর্ক রয়েছে কি না, সেটি প্রমাণ করা প্রয়োজন।

একজন ৩০ বছর বয়সী ব্যক্তি আইন বিষয়ে ডিগ্রি অর্জন করলেই তিনি দক্ষ আইনজীবী হয়ে উঠবেন, এমন নিশ্চয়তা নেই। আবার ৪০ বছর বয়সে আইন বিষয়ে যোগ্যতা অর্জন করা ব্যক্তি অদক্ষ হবেন, এমন ধারণারও কোনো স্বাভাবিক ভিত্তি নেই। আইন পেশার দক্ষতা নির্ভর করে আইনি জ্ঞান, বিশ্লেষণী ক্ষমতা, যুক্তি উপস্থাপনের দক্ষতা, ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ, পেশাগত সততা ও দায়িত্ববোধের ওপর।

বয়স মানুষের অভিজ্ঞতার একটি সূচক হতে পারে; কিন্তু এটি পেশাগত যোগ্যতার চূড়ান্ত প্রমাণ নয়। তাই বয়সের ভিত্তিতে পেশায় প্রবেশের সুযোগ সীমিত করার আগে তার প্রয়োজনীয়তা ও কার্যকারিতা সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য তথ্য থাকা দরকার।

সংবিধান ও মানবাধিকারের প্রশ্ন

বয়সসীমা নির্ধারণের উদ্যোগটি মানবাধিকার ও সাংবিধানিক নীতির আলোকে পর্যালোচনা করা প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে কয়েকটি বিধান বিশেষভাবে প্রাসঙ্গিক।

বাংলাদেশের সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদে আইনের দৃষ্টিতে সমতার নীতি স্বীকৃত হয়েছে। ৪০ অনুচ্ছেদে আইন দ্বারা আরোপিত বিধিনিষেধ সাপেক্ষে বৈধ পেশা বা বৃত্তি গ্রহণের অধিকার রয়েছে। অন্যদিকে, সর্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণাপত্রের ২ ও ৭ অনুচ্ছেদ বৈষম্যহীনতা ও সমান সুরক্ষার নীতি তুলে ধরে। এর ২৩ অনুচ্ছেদে কাজ এবং কর্মসংস্থান নির্বাচনের অধিকারের স্বীকৃতি রয়েছে।

এসব বিধান বিবেচনায় একটি যৌক্তিক প্রশ্ন ওঠে: প্রয়োজনীয় শিক্ষাগত যোগ্যতা অর্জন, নির্ধারিত পরীক্ষা উত্তীর্ণ এবং পেশাগত শর্ত পূরণ করার পরও একজন ব্যক্তিকে শুধু বয়সের কারণে আইন পেশায় প্রবেশের সুযোগ থেকে বাদ দেওয়া কতটা ন্যায়সংগত?

তবে এখানে একটি বিষয় পরিষ্কার রাখা জরুরি। বয়সসীমা আরোপ করলেই তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে অসাংবিধানিক বা মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়ে যায় না। পেশার মান রক্ষা ও জনস্বার্থে যুক্তিসংগত নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা যেতে পারে। কিন্তু সেই নিয়ন্ত্রণের বৈধ ভিত্তি, প্রয়োজনীয়তা, যৌক্তিকতা এবং আনুপাতিকতা থাকতে হবে। একই লক্ষ্য অর্জনে কম সীমাবদ্ধতামূলক কার্যকর বিকল্প থাকলে সেগুলোও বিবেচনা করা প্রয়োজন।

মানবাধিকারের মূল চেতনা হলো যোগ্য ব্যক্তির জন্য ন্যায়সংগত সুযোগ নিশ্চিত করা এবং অযৌক্তিক বৈষম্য প্রতিরোধ করা। এই চেতনার আলোকে বয়সসীমার উদ্যোগটির একটি স্বচ্ছ ও তথ্যভিত্তিক মূল্যায়ন হওয়া উচিত।

দেরিতে আইন পড়া কি অযোগ্যতা?

মানুষের জীবন সবার জন্য একই ছকে চলে না। কেউ অল্প বয়সে শিক্ষাজীবন শেষ করেন, কেউ আর্থিক সংকটের কারণে পড়াশোনায় বিরতি দেন। কেউ পারিবারিক দায়িত্ব পালন করেন, কেউ অন্য বিষয়ে উচ্চশিক্ষা নিয়ে পরে আইন পড়েন। আবার কেউ দীর্ঘ কর্মজীবনের অভিজ্ঞতা অর্জনের পর আইন পেশায় প্রবেশ করতে চান।

এমন একজন ব্যক্তি যদি ৩৮ বা ৪২ বছর বয়সে আইন বিষয়ে প্রয়োজনীয় যোগ্যতা অর্জন করেন, তাহলে তাঁকে শুধু বয়সের কারণে পেশায় প্রবেশের সুযোগ না দেওয়া কতটা যৌক্তিক?

বিশেষ করে যাঁরা জীবনের নানা প্রতিকূলতা অতিক্রম করে উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করেন, তাঁদের জন্য এমন সীমাবদ্ধতা নতুন বাধা সৃষ্টি করতে পারে। নারীদের ক্ষেত্রে পারিবারিক ও পরিচর্যার দায়িত্ব, নিম্ন আয়ের পরিবারের শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে আর্থিক বাস্তবতা এবং কর্মজীবীদের ক্ষেত্রে জীবিকা নির্বাহের পাশাপাশি পড়াশোনার প্রয়োজন শিক্ষাজীবন দীর্ঘায়িত করতে পারে।

এই বাস্তবতাগুলো বিবেচনায় না নিয়ে সবার জন্য একটি নির্দিষ্ট বয়সকে চূড়ান্ত সীমা হিসেবে নির্ধারণ করলে সমান যোগ্যতা অর্জনের পরও মানুষের সুযোগ অসম হয়ে পড়তে পারে।

শিক্ষা কোনো নির্দিষ্ট বয়সে শেষ হয়ে যায় না। জীবনব্যাপী শিক্ষা ও পেশা পরিবর্তনের সুযোগ আধুনিক সমাজের গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য। সেই বাস্তবতায় বয়সের পরিবর্তে যোগ্যতা ও সক্ষমতাকে প্রাধান্য দেওয়া অধিক যুক্তিসংগত।

অবসরপ্রাপ্তদের আইন পেশায় প্রবেশ: সমাধান কি বয়সসীমা?

আইন পেশায় প্রবেশের বয়সসীমার পক্ষে একটি যুক্তি হলো, কেউ কেউ অন্য পেশা থেকে অবসর নেওয়ার পর আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হতে চান। এ প্রবণতা নিয়ন্ত্রণ করে আইন পেশায় দীর্ঘমেয়াদি সম্পৃক্ততা ও দক্ষতা নিশ্চিত করার চিন্তা থাকতে পারে।

কিন্তু অবসরপ্রাপ্ত হওয়া নিজে কোনো অযোগ্যতা নয়। একজন শিক্ষক, প্রশাসনিক কর্মকর্তা কিংবা অন্য পেশাজীবীর দীর্ঘ কর্মজীবনের অভিজ্ঞতা আইন পেশায় মূল্যবান অবদান রাখতে পারে। অবশ্য পূর্ববর্তী পেশার অভিজ্ঞতা আইনজীবী হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় শিক্ষাগত যোগ্যতা, প্রশিক্ষণ ও পরীক্ষার বিকল্প হতে পারে না।

মূল বিবেচ্য হওয়া উচিত, তিনি প্রয়োজনীয় আইনি জ্ঞান অর্জন করেছেন কি না, পেশাগত দক্ষতা প্রমাণ করতে পেরেছেন কি না এবং নৈতিক দায়িত্ব পালনে সক্ষম কি না।

যদি সমস্যা হয় সনদের অপব্যবহার, অনিয়ম কিংবা পেশাগত দায়িত্বহীনতা, তাহলে তার সমাধানও হওয়া উচিত সুনির্দিষ্ট। কার্যকর প্রশিক্ষণ, কঠোর যোগ্যতা যাচাই, নৈতিকতার তদারকি ও শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা জোরদার করা যেতে পারে। কিছু মানুষের সম্ভাব্য অনিয়মের আশঙ্কায় সব বয়সের যোগ্য প্রার্থীর জন্য একই বাধা তৈরি করা প্রয়োজনীয় কি না, তা প্রমাণসাপেক্ষ প্রশ্ন।

পেশার মানোন্নয়নে বিকল্প পথ

আইন পেশার মর্যাদা রক্ষার উদ্দেশ্যকে অস্বীকার করার সুযোগ নেই। বরং এই উদ্দেশ্য অর্জনে আরও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন।

প্রথমত, আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির পরীক্ষার মান ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে। দ্বিতীয়ত, বাধ্যতামূলক ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ ও অভিজ্ঞ আইনজীবীর তত্ত্বাবধানে কাজের সুযোগ বাড়াতে হবে। তৃতীয়ত, পেশাগত নৈতিকতা ও শৃঙ্খলা রক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। চতুর্থত, আইন পরিবর্তন, নতুন বিচারিক সিদ্ধান্ত এবং প্রযুক্তিগত অগ্রগতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে নিয়মিত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে।

পঞ্চমত, বয়সসীমা আরোপের আগে স্বাধীন প্রভাব মূল্যায়ন করা প্রয়োজন। এতে বোঝা যাবে, এ সিদ্ধান্ত পেশাগত দক্ষতা কতটা বাড়াবে, কতজন যোগ্য প্রার্থীকে বাদ দিতে পারে এবং বিকল্প ব্যবস্থা একই লক্ষ্য আরও ভালোভাবে অর্জন করতে পারে কি না।

নীতিনির্ধারণের মূল শক্তি হওয়া উচিত তথ্য ও যুক্তি। কোনো বিধিনিষেধের পক্ষে পর্যাপ্ত প্রমাণ না থাকলে শুধু ধারণা বা আশঙ্কার ভিত্তিতে তা আরোপ করা সমীচীন নয়।

সিদ্ধান্তের স্বচ্ছতা ও আইনগত ভিত্তি স্পষ্ট হোক

বয়সসীমা নিয়ে প্রকাশিত পরস্পরবিরোধী বক্তব্য বিষয়টিকে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে। বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যানের বক্তব্যে সিদ্ধান্তের কথা বলা হয়েছে; অন্যদিকে ভাইস চেয়ারম্যান দাবি করেছেন, এ বিষয়ে কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত হয়নি।

এ অবস্থায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত, সভার কার্যবিবরণী, প্রযোজ্য বিধি এবং আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট রায়ের ভিত্তি জনসমক্ষে স্পষ্ট করা। সিদ্ধান্ত গ্রহণের এখতিয়ার, প্রক্রিয়া এবং বাস্তবায়নের আইনগত ভিত্তি সম্পর্কে অস্পষ্টতা থাকলে তা দূর করা জরুরি।

২০৩০ সাল থেকে কার্যকরের যে সময়সীমার কথা সংবাদে এসেছে, সেটিও আনুষ্ঠানিক নথির সঙ্গে মিলিয়ে নিশ্চিত করা প্রয়োজন। এ বিষয়ে আইনজীবী, আইন শিক্ষক, শিক্ষার্থী, মানবাধিকারকর্মী ও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের মতামত নিয়ে উন্মুক্ত আলোচনা হলে সিদ্ধান্তের গ্রহণযোগ্যতা বাড়তে পারে।

যোগ্যতার ভিত্তিতে সুযোগ নিশ্চিত করাই হোক লক্ষ্য

আইন পেশার মর্যাদা রক্ষা করতে হলে আইনজীবীদের জ্ঞান, দক্ষতা, সততা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। কিন্তু বয়সকে যোগ্যতার বিকল্প হিসেবে বিবেচনা করলে প্রকৃত দক্ষতা যাচাইয়ের লক্ষ্য আড়ালে পড়ে যেতে পারে।

আমি মনে করি গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত ধারণার চেয়ে বস্তুনিষ্ঠ যুক্তি ও প্রমাণকে প্রাধান্য দেওয়া প্রয়োজন। তাঁর বক্তব্যের সঙ্গে একমত বা দ্বিমত হওয়ার সুযোগ রয়েছে; কিন্তু বয়সসীমার প্রয়োজনীয়তা, সম্ভাব্য প্রভাব এবং বিকল্প ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে তথ্যভিত্তিক আলোচনা জরুরি।

আমার বিবেচনায়, আইন পেশায় প্রবেশের ক্ষেত্রে বয়সের চেয়ে শিক্ষাগত যোগ্যতা, পেশাগত দক্ষতা, নৈতিকতা ও দায়িত্ব পালনের সক্ষমতাকে অধিক গুরুত্ব দেওয়া উচিত। বয়সসীমা আরোপের পক্ষে যদি পর্যাপ্ত প্রমাণ থাকে, তা প্রকাশ করা হোক; আর যদি একই লক্ষ্য অর্জনে আরও ন্যায়সংগত ও কার্যকর বিকল্প থাকে, তবে সেগুলো বিবেচনায় নেওয়া হোক।

ন্যায়বিচারের পেশায় প্রবেশের প্রধান মানদণ্ড হওয়া উচিত যোগ্যতা, বয়স নয়। পেশার মর্যাদা রক্ষার সর্বোত্তম পথ হলো দক্ষতা ও নৈতিকতার মান উন্নত করা, যোগ্য মানুষের জন্য অযৌক্তিকভাবে সুযোগ সংকুচিত করা নয়।

[লেখক মু. নজরুল ইসলাম তামিজী একজন
কবি, সমাজবিজ্ঞানী ও চেয়ারম্যান, জাতীয় মানবাধিকার সোসাইটি]